advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

সরকারি চিনিকলে লোকসান ৯ হাজার ৬শ কোটি
কার্যকর পদক্ষেপ নিন

২২ নভেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২১ নভেম্বর ২০২২ ১১:৫২ পিএম
advertisement

পুরনো দেশীয় শিল্পের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত পাট, চিনি ও বস্ত্রকলগুলো ছিল সামনের সারিতে। কিন্তু দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে এ তিন শিল্পই এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে। বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) অধীন চিনিকল আছে ১৬টি। শুরু থেকে গত অর্থবছর (২০২১-২২) পর্যন্ত সরকারি চিনিশিল্পে লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকা। গত রবিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ লোকসানের তথ্য তুলে ধরা হয়। লোকসান কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ২০২০-২১ মাড়াই মৌসুমে ৬টি চিনিকলের মাড়াই কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

advertisement

বলার অপেক্ষা রাখে না, এর আগে সরকার লোকসানের দোহাই দিয়ে একের পর এক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু এ লোকসানের জন্য শ্রমিক বা আখচাষিরা দায়ী নন, দায়ী সরকারের ভুলনীতি ও মাথাভারী প্রশাসন। নীতিনির্ধারকরা অনেক দিন ধরেই বলে আসছিলেন, চিনিকলগুলো আধুনিকায়ন করে এর বহুমুখী উৎপাদনে যাবে- যাতে সেখানে চিনির পাশাপাশি উপজাত পণ্যও উৎপাদিত হবে। আমরা মনে করি- সরকারি চিনিকলগুলোর পরিচালনায় যেসব অনিয়ম, অদক্ষতা ও দুর্নীতি আছে; তা দূর করতে হবে। যদি এভাবে চালানো সম্ভব না হয়, তা হলে এগুলোকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। এ ক্ষেত্রেও প্রয়োজন হবে রাষ্ট্রীয় ছাড় এবং বিদেশি চিনির আগ্রাসন থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা। আমরা চাই, চিনিকলে নিয়োজিত শ্রমিক বাঁচুক, বাঁচুক আখচাষিরাও।

advertisement 4

advertisement