advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

জঙ্গি ছিনতাইয়ে অংশ নেওয়া এক সহযোগী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ নভেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০২২ ১১:৫১ পিএম
advertisement

পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ঢাকার আদালত ফটক থেকে দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য

advertisement

মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি (২৪) ওই অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। তবে কোথা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ছিনিয়ে নেওয়া দুই জঙ্গিকে গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে।

advertisement 4

ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. ফারুক হোসেন বলেন, আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া মামলার ১৪ নম্বর আসামি মেহেদী হাসান। আসামি ছিনতাইয়ের সময় তিনি আদালতপাড়ায় ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি সিলেটে।

কর্মকর্তারা বলছেন, মেহেদী হাসান জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় সরাসরি অংশ নেন। তিনি আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার সদস্য। এর আগে ব্লগার নাজিমউদ্দিন সামাদ হত্যার মিশনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজিমউদ্দিন সামাদকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা।

গত ২০ নভেম্বর ঢাকার আদালতপাড়া থেকে দুই জঙ্গি মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান এবং আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাবকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পলাতক জিয়ার নির্দেশনায় আয়মান ওরফে মশিউর রহমানের নেতৃত্বে সেই অভিযান চালায় জঙ্গিরা। জামিনে থাকা মেহেদী হাসান ও আমিন সেদিন হাজিরা দিতে আদালত প্রাঙ্গণে গিয়ে তাতে অংশ নেন।

জানা গেছে, মেহেদী হাসান মোহাম্মদপুর থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া মামলায় জামিনে ছিলেন। সেই মামলায় ঘটনার দিন আনসার আল ইসলামের অন্য ১৩ সদস্যের সঙ্গে আদালতে হাজিরা দিতে যান। পুলিশ পরে জঙ্গি ছিনতাইয়ের মামলায় তাকে আসামি করে। এই মামলায়ই তাকে গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি।

ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) বিপ্লব বিজয় তালুকদার বলেন, ‘যে দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, তারা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। ঝুঁকি এড়াতে সারাদেশের পুলিশ ইউনিটগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সীমান্তে যারা দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যে দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের ছবি প্রতিটি থানায় পাঠানো হয়েছে।’

advertisement