advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

অতিরিক্ত সময় বেশি হচ্ছে কেন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২৪ নভেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২২ ০১:০২ এএম
advertisement

আর্জেন্টিনা ও সৌদি আরব ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের বাইরে অতিরিক্ত ১৯ মিনিট দেওয়া হয়েছিল। প্রথমার্ধে ৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। দ্বিতীয়ার্ধে দেওয়া হয়েছিল ৮ মিনিট। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সেই অতিরিক্ত সময় গড়ায় ১৪ মিনিটে। এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে ইরান যখন দ্বিতীয় গোল করে তখন ঘড়িতে খেলার সময় ছিল ১০২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড। সেনেগালের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের দ্বিতীয় গোল আসে ৯৮ মিনিট ১৭ সেকেন্ডে। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের প্রথম পাঁচ ম্যাচে মোট ৮৩ মিনিট অতিরিক্ত সময়ে দেওয়া হয়েছে। ফিফার কোন নিয়মের কারণে এবারের বিশ্বকাপে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের বাইরে অতিরিক্ত সময় বেশি পাচ্ছে দলগুলো? এর প্রধান কারণ হলো নিয়ম বদল করেছে ফিফা। খেলোয়াড়রা পুরো ৯০ মিনিট যাতে খেলতে পারেন, সময় যাতে নষ্ট না হয়- এজন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফিফার রেফারিদের কমিটির প্রধান পিয়েরলুইগি কলিনা বিশ্বকাপ শুরুর আগেই জানিয়েছিলেন, ‘আমরা চাই না যে ৪২, ৪৩, ৪৪ মিনিটে খেলার একটি অর্ধ শেষ হয়ে যাক। তাই বদলি খেলোয়াড় মাঠে নামা, পেনাল্টি, গোলের পর উদযাপন, মেডিক্যাল কারণে ও ভার প্রযুক্তির ফলে যে সময় নষ্ট হয় তা মেটানো হবে।’

advertisement

আর্জেন্টিনার ম্যাচে ফুটবলারের চোটের কারণেই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। ইংল্যান্ড ও ইরানের ম্যাচে প্রথমার্ধে ১৪ ও দ্বিতীয়ার্ধে ১৩ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কেননা প্রথমার্ধে চোট পেয়ে ইরানের গোলরক্ষক আলিরেজা মাঠ থেকে বেরিয়ে যান। তার চিকিৎসায় অনেক সময় নষ্ট হয়েছিল। সেই সঙ্গে ম্যাচে মোট আটটি গোল হয়েছে। প্রতিটি গোলের পর ফুটবলাররা উদযাপন করে সময় নষ্ট করেন।

advertisement 4
advertisement