advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ সর্বকালের নজিরবিহীন হবে: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ নভেম্বর ২০২২ ০৮:৫৮ পিএম | আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২২ ০৮:৫৮ পিএম
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। পুরোনো ছবি
advertisement

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘যতই নিপীড়ণ-নির্যাতন চালানো হোক, আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ সর্বকালের নজীরবিহীন হবে। সব বাধা অতিক্রম করে এই গণসমাবেশে উপস্থিত হতে সংগ্রামী জনগণ আপোষহীন লক্ষ্যে স্থির।’

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী।

advertisement

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ঢাকা মহানগরসহ দেশব্যাপী বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে অসংখ্য নেতাকর্মীকে আসামি করা, গ্রেপ্তার, হয়রানি, দিনে-রাতে বাসায় পুলিশ হানা দিয়ে পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে অশালীনভাবে। কর্তৃত্ববাদী সরকারের উত্থানের ফলে ১৪ বছর ধরে গণতন্ত্র, বহুত্ববাদ, সুশাসন, স্বচ্ছতা, সহনশীলতাকে অচেনা শব্দে পরিণত করা হয়েছে।’

advertisement 4

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘অসম্মান করা হয়েছে মানুষের ভোটাধিকারকে।অবাধ, মুক্ত, স্বচ্ছ, ইনক্লুসিভ নির্বাচনকে আইসিইউতে পাঠানো হয়েছে। এই ক্রান্তিকাল অতিক্রম করতে বর্তমানে জনগণের বিপুল উত্থান দেখে অবৈধ সরকার দিশেহারা হয়ে প্রতিহিংসার বন্য আচরণ শুরু করেছে। বিরোধী দলের টুঁটি চেপে ধরার জন্য এরা রাষ্ট্রশক্তিতে নির্বিচারে ব্যবহার করছে।’

রিজভী বলেন, ‘জনগণের বিশাল শক্তির কাছে চক্রান্তের কোনো আস্ফালন টিকতে পারবে না। ইতোমধ্যে দেশব্যাপী বিভিন্ন বিভাগীয় সদরে বিএনপির গণসমাবেশে নানা ধরনের নারকীয় আক্রমণ সত্বেও জনগণের অপ্রতিরোধ্য গতিকে আটকাতে পারেনি। তারা বহু কষ্ট করে দুই/তিন দিন আগেই সমাবেশস্থলে হাজির হয়েছে। আওয়ামী সরকার সন্ত্রাসবাদের অন্ধ-গলিতে নিজেদের রাস্তা হারিয়ে ফেলেছে। কারণ এরা সুশাসন ও গণতন্ত্রকে সমাধিস্থ করেছে। তবে জনগণ বর্তমান আওয়ামী সরকারের পতনে উদ্দীপ্ত বদ্ধপরিকর।’

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘ভোটারবিহীন সরকার বন্দুক ও গুলি করে বিএনপির নেতাকর্মীদের হত্যার ধারাবাহিকতায় বাতাসে বারুদের গন্ধ ছড়িয়ে দিলেও জনগণের রাজপথের উপস্থিতিকে থামাতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকামী বিএনপির নেতাকর্মীরা শান্তিকামী কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ক্ষেত্রে তারা অবিচল। রাষ্ট্রশক্তি প্রয়োগ করেও তাদের কণ্ঠের উচ্চারণকে থামানো যাবে না। শেখ হাসিনা বিরোধী দলকে দমাতে হত্যার যে নীতি অবলম্বন করেছেন তাতে তিনি সফলকাম হবেন না। তার আমলে একের পর এক নিরপরাধ লোককে হত্যার কোন বিচার হয়নি। তাই আওয়ামী দুর্বৃত্তরা সহিংস কার্যাবলী চালাতে উৎসাহিত হয়েছেন।’

advertisement