advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লংগদুতে রাস্তায় পড়ে ছিল রক্তাক্ত লাশ

রাঙামাটি প্রতিনিধি
২৫ নভেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২২ ০৯:৫৪ পিএম
advertisement

স্ত্রী-সন্তান বেড়াতে গেছেন। অলস সময় পার করতে রাত বারোটা পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলা দেখে ঘরে ফেরেন বাবুল মিয়া। আর সকালেই বাড়ির অদূরে রাস্তায় পড়েছিল তার রক্তাক্ত নিথর দেহ। মাঝের সময়টাতে খুনিরা ধারালো অস্ত্রে খুন করে ফেলে যায় তাকে। হত্যাকা-টি ঘটেছে লংগদু উপজেলায়। গতকাল সকালে মক্তবে যাওয়া কোমলমতি শিশুদের দেওয়া তথ্যে গ্রামবাসী থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিহত বাবুল মিয়া উপজেলার গুলশাখালী ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নুরুল ইসলাম নামে একজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকা-ে জড়িত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।

advertisement

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত বাবুল মিয়া তার বোনজামাইয়ের দোকানে ফুটবল খেলা দেখে বাড়িতে চলে যান। এর পরই সেখানে নুরুল ইসলামও যান। ধারণা করা হচ্ছে- রাত ১২টা পর্যন্ত বাজারে বিশ্বকাপ খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পরই পরিকল্পিত হত্যাকা-ের শিকার হন বাবুল।

advertisement 4

নিহত বাবুল মিয়ার ভগ্নিপতি ফুল মিয়া জানান, বাবুল মিয়া একই এলাকার নুরুল ইসলামের কাছে প্রায় দুই লাখ টাকা পায়। গত বুধবার রাতেও সে তার বাসায় আসে। সেখানে কী ঘটেছে জানি না।

আর আজ সকালে খবর পাই বাবুল মৃত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে আছে।

পুলিশের হেফাজতে থাকা নুরুল ইসলাম রাতে নিহত বাবুল মিয়ার বাসায় যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে দেখেছেন- এমন সাক্ষ্য দিলে বলেন, ‘আমি গত রাত প্রায় ১২টার দিকে বাবুল মিয়ার বাসায় গিয়েছি এবং পাঁচ হাজার টাকা ধার নিয়ে চলে আসি।’

লংগদু থানার ওসি ইকবাল উদ্দীন জানান, মনে হচ্ছে পরিকল্পনা করে বাবুল মিয়াকে খুন করা হয়েছে।

লংগদু-বাঘাইছড়ি সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল আওয়াল চৌধুরী বলেন, ‘এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নুরুল ইসলাম নামে একজনকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

advertisement