advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ব্যক্তিগত গাড়ির দখলে সড়কের ৬২ শতাংশ
নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিন

২৫ নভেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২২ ১০:৪৮ পিএম
advertisement

যে রাজধানী শহরে দেড় কোটি মানুষের বাস, সেখানে গণপরিবহনের শৃঙ্খলা ও যানজট নিরসন কেবল জরুরি নয়, অপরিহার্যও। সরকারি পর্যায়ে বারবার আশ্বাস ও উদ্যোগের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন তেমন দেখা যায় না।

advertisement

মোট কথা যানজট নিরসনে যে সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন, তার ঘাটতি প্রকট। সমীক্ষামতে, ঢাকা শহরের ৫ শতাংশ লোকের ব্যক্তিগত গাড়ি রয়েছে। এসব গাড়ি সড়কের ৬১.৯৯ শতাংশ জায়গা দখল করে রাখে। অথচ যাত্রী বহন করে মাত্র ১৮.২৬ শতাংশ। অন্যদিকে ৬০.৩৬ শতাংশ যাত্রী বহনকারী গণপরিবহনের দখলে সড়কের মাত্র ১.১২ শতাংশ। অন্যান্য পরিবহনের দখলে ৩৬.৮৯ শতাংশ, যেগুলো ২১.৩৮ শতাংশ যাত্রী বহন করে।

advertisement 4

ড্যাপের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এভাবে চলতে থাকলে ২০৩৫ সালে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা দাঁড়াবে ৩ লাখ ৬০ হাজারে। এ বিপুলসংখ্যক গাড়ির স্রেফ পার্কিংয়েই প্রয়োজন হবে প্রায় ৩.৬ বর্গকিলোমিটার স্থান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ থেকে উত্তরণে শক্তিশালী নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে, যেন ব্যক্তিগত গাড়ির প্রতি আগ্রহ হ্রাস পায়। এ ক্ষেত্রে উচ্চকর, উচ্চপার্কিং মূল্য ছাড়াও অন্য শর্তাদিতে কঠোরতা প্রয়োগ করতে হবে। ব্যক্তিগত গাড়ি বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ থেকে ২ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। সে ক্ষেত্রে ২০৩৫ সাল অবধি ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা আড়াই লাখের মধ্যেই থাকবে।

প্রতিটি আধুনিক ও উন্নত শহরে গণপরিবহনই বাসিন্দাদের প্রধান বাহন। ঢাকা শহরে তার উল্টো। এখানে বেশিরভাগ যাত্রী চলাচল করেন রিকশা, অটোরিকশা, ব্যক্তিগত বাহনে। ফলে ৩০ মিনিটের পথ পার হতে কখনো কখনো দুই ঘণ্টাও লেগে যায়। তার ওপর গণপরিবহনগুলোর মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা থাকায় ঘন ঘন দুর্ঘটনা ঘটে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে অবিলম্বে ব্যক্তিগত পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ও সব সড়কে সমন্বিত গণপরিবহন চালু করা হোক।

advertisement