advertisement
advertisement
advertisement

একাদশে ভর্তি আবেদন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ ডিসেম্বর ২০২২ ১১:২৩ এএম | আপডেট: ৮ ডিসেম্বর ২০২২ ১১:২৩ এএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে। তিন ধাপে এ আবেদন চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। আর ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে ভর্তি কার্যক্রম। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে ক্লাস।

আজ বুধবার ভর্তিসংক্রান্ত নীতিমালায় জানানো হয়, ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে দেশের যে কোনো শিক্ষাবোর্ড এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা পাস করা শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যান্য বছরে পাস করা শিক্ষার্থীরাও ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে। বিদেশি কোনো বোর্ড বা প্রতিষ্ঠা থেকে সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সনদের মান নির্ধারণের পর ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। এ ওয়েবসাইটে www.xiclassadmission.gov.bd গিয়ে আবেদন করতে হবে।

advertisement

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট শূন্য আসনের ৯৩ শতাংশ মেধা কোটা হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব শূন্য আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বাকি ৫ শতাংশ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী সন্তানদের জন্য রাখা হয়েছে। এসব আসনে শিক্ষার্থী না থাকলে তা মেধা কোটায় বিবেচিত হবে।

advertisement 4

একাদশের ভর্তির ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেশন চার্জ ও ভর্তি বাবদ এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটনে বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা, ইংরেজিতে ৫ হাজার টাকা, ঢাকার বাইরের মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ভার্সনে ৩ হাজার, ইংরেজিতে ৩ হাজার টাকা, জেলা শহরে বাংলায় ২ হাজার, ইংরেজিতে ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা/মফস্বল পর্যায়ে বাংলায় ১ হাজার ৫০০ ও ইংরেজিতে ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন ফি গ্রহণ করা যাবে না।

নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটনে বাংলা ভার্সনে ৭ হাজার ৫০০, ইংরেজিতে ৮ হাজার ৫০০, ঢাকার বাইরে মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলায় ৫ হাজার ইংরেজিতে ৬ হাজার, জেলা শহরে ৩০০০-৬০০০ টাকা এবং উপজেলা/মফস্বলে ২৫০০-৩০০০ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। সব ফি আদায়ের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে রশিদ দিতে হবে। দরিদ্র, মেধাবী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে উল্লেখিত সব ফি যতদূর সম্ভব মওকুফ করতে বলা হয়েছে। সব ফি’র বিবরণ স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বোর্ডে ঝুলিয়ে দিতে হবে। কোনোভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না।

যারা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবদেন করেছে তাদেরও এ সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। পুনঃনিরীক্ষণে ফলাফল কারও পরিবর্তন হলে সে আগের আবেদন বাতিল করে ২৬ ডিসেম্বর ফের অনলাইন আবেদন করতে পারবে। একই দিনে প্রথম ধাপের আবেদনকারীরা পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ পাবে। ৩১ ডিসেম্বর এ ধাপের মেধা তালিকা বা ফলাফল প্রকাশ করা হবে। ১ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত নিশ্চয়ন করা যাবে। যারা নিশ্চয়ন করবে না তাদের আবেদন বাতিল হবে।

দ্বিতীয় ধাপের আবেদন ৯ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এ ধাপের ফলাফল ১২ জানুয়ারি প্রকাশ করা হবে। এ আবেদনের নিশ্চয়ন চলবে ১৩ থেকে ১৪ জানুয়ারি। তৃতীয় ধাপের আবেদন ১৬ জানুয়ারি ও ফলাফল প্রকাশ ১৮ জানুয়ারি। এ ধাপের নিশ্চয়ন ১৯ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। যারা ভর্তির জন্য নির্বাচিত হবে তাদের ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারির মধ্যে ভর্তি হতে হবে। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হবে।

বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা যেকোনো বিভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায়) ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। মানবিক বিভাগ থেকে মানবিক ও ব্যবসায় আবেদন করা যাবে। ব্যবসায় বিভাগ থেকেও এই দুই বিভাগের একটিতে আবেদন করতে পারবে। মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম কার্যকর হবে।

advertisement