advertisement
advertisement
advertisement

এগিয়ে চলছে ‘দ্য চয়েজ টু চেঞ্জ ফাউন্ডেশন’

অনলাইন ডেস্ক
৮ ডিসেম্বর ২০২২ ০২:৫৮ পিএম | আপডেট: ৮ ডিসেম্বর ২০২২ ০২:৫৮ পিএম
‘দ্য চয়েজ টু চেঞ্জ ফাউন্ডেশন’র শিক্ষার্থীরা
advertisement

আর্থিক সংকটের কারণে বস্তিতে বসবাসরত বিরাট জনগোষ্ঠীর শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষার জন্য স্কুলে আসতে পারে না। স্কুলে এলেও একপর্যায়ে বেতন দেওয়া, বই-খাতা-কলমের মতো শিক্ষা উপকরণ কিনতে না পেরে অনেকেরই পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। এসব শিশুর মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছে ‘দ্য চয়েজ টু চেঞ্জ ফাউন্ডেশন’।

স্লোভাকিয়ার নাগরিক ইভা কারনোভা ও বাংলাদেশের সুনীল বাড়ৈ ২০১০ সালের জুলাইয়ে ঢাকায় দ্য চয়েজ টু চেঞ্জ ফাউন্ডেশন (সিটুসি) প্রতিষ্ঠা করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল দারিদ্র্যপীড়িত জনগোষ্ঠীর জীবনমান পরিবর্তন করে নগরের বস্তিতে বাস করা শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরি।

advertisement

ফাউন্ডেশনের ট্রেজারার ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর মো. ফারহান শাহরিয়ার বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষার একটি সুস্থ পরিবেশ গড়ে তোলা। আমরা আশা করি, একদিন বাংলাদেশের অগণিত অসহায় শিশুকে সহযোগিতা করতে সক্ষম হব। আমরা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনমান পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছি। ১০ বছর ধরে বিভিন্ন দাতা সংস্থার সহযোগিতায় সিটুসি বিনা বেতনে শিক্ষার ব্যবস্থা করছে তাদের সিটুসি এডুকেশনাল প্রজেক্টের আওতায়। রাজধানী ঢাকার ভাটারার নূরের চালা ও খিলক্ষেত বস্তির ২৬০ জন শিশু বিনা বেতনে পড়াশোনা করছে। শিক্ষা উপকরণ, পোশাক ছাড়াও সিটুসি এই শিশুদের জন্য বিনামূল্যে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করছে, যেন তাদের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়। সিটুসি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে এসডিজি ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রা ১, ২, ৪, ৫, ৮, ১৭ এবং বাংলাদেশ সরকারের ভিশন-২০৪১ অর্জনে নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছে।’

advertisement 4

এছাড়া দাতা সংস্থার সহযোগিতায় কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘পাঠশালা ফর রোহিঙ্গা চিলড্রেন’ প্রকল্পটি চার বছর ধরে পরিচালনা করছে সিটুসি।

মো. ফারহান শাহরিয়ার আরও বলেন, ‘এ প্রকল্পেরে আওতায় ৫০ জন রোহিঙ্গা শিশু অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা ও পুষ্টিকর খাবার সহায়তা পাচ্ছে।’

তিনি জানান, এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বস্তিতে বসবাসরত ১২ বছরের নিচে প্রায় ৪২%-এর মতো শিশু প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। তাই টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ ও রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়ন এবং সফল করতে প্রতিটি বস্তিতে সিটুসির মতো মডেল প্রজেক্ট হাতে নিতে হবে।

advertisement