advertisement
advertisement
advertisement

বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ সহজ করল মালয়েশিয়া

আরিফুল ইসলাম,মালয়েশিয়া
১৫ জানুয়ারি ২০২৩ ০৩:৪১ পিএম | আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৩ ০৬:৫৭ পিএম
মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী। ছবি: আমাদের সময়
advertisement

বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ সহজ করল মালয়েশিয়া। এখন থেকে ৩ দিনের মধ্যে বিদেশি শ্রমিক আনার অনুমোদন পাবে দেশটির কোম্পানিগুলো। মালয়েশিয়ার শ্রম আইনের সংশ্লিষ্ট ৬০ ধারা সংশোধন করে লেবারের ডিরেক্টর জেনারেলের কাছ থেকে পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।

স্থানীয় গণমাধ্যম ‌ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশটির পুত্রজায়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন বলেছেন, ‌কোম্পানি মালিকরা তাদের প্রয়োজন ও ক্ষমতা অনুসারে ১৫ দেশের বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ করতে পারবেন। এখানে আগের প্রশাসনিক অনুমোদন ও কোটার প্রয়োজন নেই।

advertisement

তিনি আরও বলেন, ‌‘আমাদের বিদেশি কর্মীদের প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া সহজ করতে হবে। কোম্পানি মালিকরা তাদের আবেদন জমা দিতে হবে এবং আমরা তা আমাদের পরিকল্পনার অধীনে তিন দিনের মধ্যে অনুমোদন দেব। আমাদের লক্ষ্য হল, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটান। সরকার অনুমান করেছে আমরা যদি সাতটি খাতে চাহিদা মেটাতে বিদেশি কর্মীদের প্রবেশ সহজ ও দ্রুত করি তাহলে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ১ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।’

advertisement 4

কর্মী নিয়োগে কোম্পানি মালিকদের জন্য কিছু বাধ্যতামূলক শর্তারোপ করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। কর্মী নিয়োগ আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত নেতিবাচক কোনো ইস্যু পেন্ডিং থাকা যাবে না। এই আইনের অধীনে সকল সিদ্ধান্ত বা আদেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। সরকারের বেধে দেওয়া বেতনের মধ্যই কর্মী নিয়োগের শর্ত মেনে চলতে হবে। এছাড়াও কোনো কোম্পনি যদি মানবপাচার ও জোর করে কর্মী নিয়োগ করে তাহলে সেই কোম্পানিগুলোকে নতুন করে কর্মী নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হবে না।

এদিকে ১৫টি দেশ হলো বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, লাওস, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম।

গত মাসে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন বিভিন্ন সেক্টরের কর্মচারী অভাবের সমস্যা উল্লেখ করে বলেন, প্রথমে অনুমান করা হয়েছিল পাম অয়েল সেক্টরে ১ লাখ ২০ হাজার কর্মীর প্রয়োজন। অন্যান্য সেক্টরের তুলনায় এখানে সমস্যা আরও গভীর। এ সেক্টরে কর্মীর সংখ্যা ২ লাখ প্রয়োজন।

advertisement