advertisement
advertisement
advertisement

‘কলকাতা অচল করে দেব’

অনলাইন ডেস্ক
২৩ জানুয়ারি ২০২৩ ০৮:৫৬ পিএম | আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ ০৮:৫৬ পিএম
পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী ও পীরজাদা কাশেম সিদ্দিকী
advertisement

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ফুরফুরা দরবার শরীফের পীরজাদা ও আইএসএফ থেকে নির্বাচিত বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন ফুরফুরা শরিফের অপর পীরজাদা কাশেম সিদ্দিকী। তার  মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে। তবে ধর্ম ও রাজনীতিকে মেশানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।  

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, গত শুক্রবার রাত থেকে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ পরগণার ভাঙড়ে গুলি চলাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। শনিবার ধর্মতলায় দলীয় কর্মসূচি ছিল আইএসএফের। অভিযোগ করা হয়, সেই সময় আইএসএফ কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূল।

advertisement

তার প্রতিবাদে ধর্মতলায় অবরোধ শুরু করে আইএসএফ। ব্যস্ততম রাস্তায় অবরোধ ঠেকাতে ছুটে যায় পুলিশ। তারপর আইএসএফ কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এতে বউবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও অতিরিক্ত ওসি আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীসহ মোট ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের মধ্যে ১৮ জনের পুলিশ হেফাজত হয়েছে।

advertisement 4

বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা কাশেম সিদ্দিকী। আজ সোমবার একটি বৈঠকের পর তিনি বলেন, ‘শেষ দেখে ছাড়ব। প্রয়োজনে কলকাতা অচল করে দেব।’

তার এই মন্তব্যকে ঘিরে প্রবল সমালোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। পীরজাদার এই মন্তব্য প্রসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘কলকাতায় অশান্তি হয়েছে। পুলিশ পুলিশের কাজ করেছে। এক বিধায়ককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই ধর্ম আর রাজনীতিকে মেশানো ঠিক নয়।’

এ প্রসঙ্গে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের নেতারা আন্দোলন করেন, গ্রেপ্তারও হন। দল তার বিরোধিতায় আন্দলনের পথেও হাঁটেন। তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু দেখতে হবে ধর্ম রাজনীতি যেন মিশে না যায়। পাশাপাশি বিধায়ক দিনের পর দিন এলাকায় ঢুকতে পারবেন না এটাও কাম্য নয়।’

advertisement