advertisement
advertisement
advertisement

মাশরাফিদের জয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক
২৫ জানুয়ারি ২০২৩ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৩ ১০:১০ পিএম
advertisement

আবারও মাশরাফি বিন মোর্ত্তজার কাছে পরাজিত হয়েছেন সাকিব আল হাসান! প্রতিশোধের ম্যাচ ছিল ফরচুন বরিশালের। তবে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে পারেনি সাকিবের দল। ২ রানে হারের তেতো স্বাদ পেতে হয়েছে বরিশালকে।

বিপিএলের নবম আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাশরাফির সিলেটের কাছে হেরেছিল সাকিবের বরিশাল। মিরপুরে ১৯৪ রান করেও ৬ উইকেটে হারের তেতো স্বাদ পেতে হয়েছিল তাদের। এরপর থেকেই অজেয় বরিশাল। টানা ৫ ম্যাচ তাদের হারাতে পারেনি টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া কোনো দল। জয়ের ধারাটা সিলেট ম্যাচেও ধরে রাখার লক্ষ্য ছিল তাদের। প্রথম ম্যাচ হারের ‘বদলা’ নেওয়ার ব্যাপার তো ছিলই! তবে সমীকরণ মেলাতে ব্যর্থ সাকিবরা। এ পর্যন্ত তারা ৭টি ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে দুইবার হারের তেতো স্বাদ পেয়েছে। দুটি ম্যাচেই বরিশালের প্রতিপক্ষ ছিল সিলেট। চলমান বিপিএলের শুরু থেকেই ছন্দে ছিল সিলেট। মাশরাফির নেতৃত্বে টানা ৫ ম্যাচে জয় পায় তারা। তবে সর্বশেষ চট্টগ্রামে কুমিল্লার কাছে থামে তাদের জয়রথ। এক ম্যাচ পর আবার জয়ে ফিরলেন মাশরাফিরা। ফিরতি ম্যাচে বরিশালকে হারিয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ন রেখেছে সিলেট। ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানেই ছিল বরিশাল। জমজমাট ম্যাচই উপভোগ করেছেন সমর্থকরা। ১৭৩ রান তাড়ায় জয়ের জন্য শেষ ওভারে বরিশালের দরকার ছিল ১৫ রান। রেজাউর রাজার করা ওভারে এক ছক্কা, এক চারে ১২ রান তুলতে পারেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। তবে ওভারের প্রথম দুই বলে ইফতিখার আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ আউট না হলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত! অবশ্য করিম জানাতের কারণে ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত এতটা রোমাঞ্চ ছড়াতে পেরেছে। ১৫ ওভার শেষে বরিশালের সংগ্রহ ছিল ১১১/৪। জয়ের জন্য শেষ ৩০ বলে তাদের দরকার ছিল ৬৩ রান। মাশরাফির করা ১৬তম ওভারের শেষ তিন বলে তিন ছক্কা মারেন করিম জানাত। ওই ওভারে আসে ২১ রান। এর পর তানজিম সাকিবের করা ১৮তম ওভারে ইফতিখার ১ ছক্কা ও ১ চার মারেন। মাহমুদউল্লাহ মারেন ১টি ছক্কা। ওই ওভারে স্কোরকার্ডে যোগ হয় ১৮ রান। আর তাতেই ম্যাচটা ক্লোজ হয়ে যায়। যদিও শেষ পর্যন্ত সিলেটই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

advertisement

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা সিলেট ৫ উইকেটে ১৭৩ রানের বড় পুঁজি পায় নাজমুল হোসেন শান্ত, টম মরেস ও থিসারা পেরেরার ব্যাটে। মোহাম্মদ ওয়াসিমের করা দ্বিতীয় ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে এলোমেলো হয়ে যায় দলটির ব্যাটিং লাইন আপ। ১৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলকে লড়াইয়ে রাখেন ম্যাচসেরা শান্ত, টম, পেরেরারা। চতুর্থ উইকেটে শান্ত ও টম জুটি ৭১ বলে ৮১ ও পঞ্চম উইকেটে শান্ত-পেরেরা জুটি স্কোরকার্ডে ৩৪ বলে ৬৮ রান যোগ করেন। ৪৮ বলে ফিফটি করা শান্ত শেষ পর্যন্ত ৮৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। তার ৬৬ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১১টি চার ও ১টি ছক্কায়। টম করেন ৩০ বলে ৪০ রান। পেরেরা ১৬ বলে ২১। ওয়াসিমের শিকার ৩ উইকেট।

advertisement 4

বড় রান তাড়ায় সাইফ হাসান ও ইব্রাহিম জাদরানের ব্যাটে বরিশালের শুরুটা ভালোই ছিল। ৪২ রানে ভাঙে উদ্ধোধনী জুটি। ১৯ বলে ৩১ রানে ফেরেন সাইফ। এরপর স্কোরকার্ডে ৪ রান যোগ হতেই ফেরেন বিজয়। তৃতীয় উইকেটে ইব্রাহিম ও সাকিব ৬১ রানের জুটি গড়েন। ৩৭ বলে ৪২ রান করেন ইব্রাহিম। সাকিবের স্টাম্প উড়িয়ে দেন রাজা। আউট হওয়ার আগে ১৮ বলে ২৯ রান করেন বরিশাল অধিনায়ক। এরপর ইফতিখার (১৭), করিম জানাত (২১), ওয়াসিমরা (১০*) চেষ্টা করলেও দল জয়ের স্বাদ পায়নি। ৩ ওভারে ৪২ রান দিলেও উইকেট পাননি মাশরাফি। রাজা সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন।

advertisement