advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

বিদ্যুৎ উৎপাদনেই কেবল গড়ে ২৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস লাগবে

লুৎফর রহমান কাকন
২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:২৫
advertisement

বর্তমান সরকারের ভিশন-২০৪১ সাল পূরণ করতে কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনেই গ্যাসের জোগান দিতে হবে দুই হাজার ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। ২০১৯ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে কী পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজনÑ এমন একটি সম্ভাব্য চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ বিভাগকে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।

দেশে এখন শিল্পসহ সব খাতে গ্যাসের মোট চাহিদা প্রায় চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে গড়ে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। গ্যাস সংকটের কারণে অন্তত দুই হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র সব সময় বন্ধ থাকছে। এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছেÑ এত গ্যাসের চাহিদা

কীভাবে মেটাবে সরকার। সংশ্লিষ্টরা অবশ্য বলছেন, ভবিষ্যতে গ্যাসের চাহিদা মেটাতে আমদানিকৃত এলএনজিই ভরসা।

তবে যে পরিমাণ এলএনজি আমদানি হচ্ছে, তা দিয়ে বর্তমান গ্যাসের সংকট মোকাবিলা করা যাচ্ছে না। নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্যও যে চাহিদা তৈরি হবে, আমদানিনির্ভর এলএনজি দিয়ে তা মেটানোও বড় চ্যালেঞ্জ। অবশ্য সরকার অদূর ভবিষ্যতে প্রায় তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ভবিষ্যতে শিল্প খাতে গ্যাসের প্রকৃত চাহিদা নির্ধারণে একটি সমীক্ষা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। শিল্প সংযোগ সহজ করার প্রথম ধাপ হিসেবে এ সমীক্ষা চালানো হবে। পেট্রোবাংলার মাধ্যমে জরিপটি চালাতে ইতোমধ্যে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে হাইড্রোকার্বন ইউনিটের মাধ্যমে গ্যাস বিতরণ কোম্পানি থেকে তথ্য-উপাত্ত নিয়ে জরিপ করার চিন্তা চলছে। গ্যাস ব্যবহার হয় এমন সংস্থা বা কোম্পানির কাছেও তাদের ব্যবহৃত গ্যাসের চাহিদা জানতে চেয়ে মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

advertisement