advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

গুজব কী

শামস বিশ্বাস
২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:০০ | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০০:২৭
advertisement

গ্রন্থনা : শামস বিশ্বাস

গুজব হলো জনসাধারণের সম্পর্কিত যে কোনো বিষয়, ঘটনা বা ব্যক্তি নিয়ে মুখে মুখে প্রচারিত কোনো বর্ণনা বা গল্প। কোনো কোনো ঘটনা আমাদের এত বেশি নাড়া দেয় যে, সেটি অন্যকে তাৎক্ষণিকভাবে না বলে পারা যায় না। অথবা সেই ঘটনাটি কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এতটাই মানহানিকর যে, সেটি সহজে বিশ্বাস হয় না। তাই ব্যাপারটা আসলে গুজব না সত্যি, তা যাচাইয়ের জন্য হলেও অন্যকে বলতে হয়। গুজব এভাবেই ছড়ায়, একজনের কাছ থেকে আরেকজন হয়ে হাজারো মানুষের কাছে। সামাজিক বিজ্ঞানের ভাষায়, গুজব হলো এমন কোনো বিবৃতি যার সত্যতা অল্প সময়ের মধ্যে অথবা কখনই নিশ্চত করা সম্ভব হয় না। অনেক প-িতের মতে, গুজব হলো প্রচারণার একটি উপসেট মাত্র। সমাজবিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞান শাস্ত্রে গুজবের ভিন্ন ভিন্ন সংজ্ঞা পাওয়া যায়। গুজব অনেক ক্ষেত্রে ‘ভুল তথ্য’ ও ‘অসঙ্গত তথ্য’ এই দু-ই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ‘ভুল তথ্য’ বলতে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যকে বোঝায় এবং ‘অসঙ্গতি তথ্য’ বলতে বোঝায় ইচ্ছাকৃতভাবে ভ্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করা। রাজনীতিতে গুজব বরাবর একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। এ ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে ইতিবাচক গুজবের পরিবর্তে নেতিবাচক গুজব সর্বদা অধিক কার্যকর হতে দেখা গেছে।

পছন্দের কাজ গুজব

ছড়ানো!

যে কাহিনির মধ্য দিয়ে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে মানুষের ধারণা পাল্টে যেতে পারে, সেটি গুজব হিসেবে বেশি আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। বিখ্যাত ব্যক্তি ছাড়াও মানুষ নিজেদের বন্ধুবান্ধব সম্পর্কে মজা করেও অনেক গুজব ছড়ায়। যুক্তরাজ্যের একদল গবেষক এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করে দেখতে পান, মানুষ গুজব ছড়াতে পছন্দ করে। চেনা মানুষ বা তারকা এবং বিখ্যাত কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে গুজব বা অদ্ভুত ধরনের কথাবার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার সহজাত প্রবণতা মানুষের মধ্যে রয়েছে। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোনো ‘রসাল’ ঘটনা হলে তো কথাই নেই, দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে সেটি। এসব গুজব অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ছড়ায়, বিশেষ করে ছোটখাটো কোনো গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের মধ্যে। কিন্তু মানুষ কেন গুজব ছড়ানোর প্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারে না, সেটিই গবেষকরা অনুসন্ধান করছেন। যুক্তরাজ্যের মনোবিজ্ঞানী বো ইয়াও বলেন, গুজব ছড়ানোর প্রবণতা মানুষ নিজের ভেতর থেকেই পায়। এটা বিস্ময়কর কোনো ব্যাপার নয়। পরিচিত লোকজন বা মজার কোনো ঘটনা নিয়ে গল্পগুজব করাটা মানুষের স্বাভাবিক আচরণের অংশ। তবে চেনা কাউকে নিয়ে আকর্ষণীয় কোনো ব্যাপার, সেটা সুখবর হতে পারে আবার কলঙ্কজনকও হতে পারে, সব সময়ই বাড়তি মনোযোগ কাড়ে।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে এলিয়েন

বেশ কয়েক শতক ধরে এক ডজনেরও বেশি বিমান, জাহাজ ও মার্কিন নৌবাহিনীর একটি দল আটলান্টিক মহাসাগরে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে উধাও হয়ে গেছে। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল ‘শয়তানের ত্রিভুজ’ নামেও পরিচিত। এটা ধারণা করা স্বাভাবিক যে, সেখানে অতিপ্রাকৃত কিছু আছে। অনেক বিজ্ঞানীর ধারণা, সেখানে বাতাসে প্রবল বেগের কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটে। অনেকে মনে করেন ওইসব অন্তর্ধানের কারণ নিছক দুর্ঘটনা, যার কারণ হতে পারে প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা চালকের অসাবধানতা। তা ছাড়া আরেক দল গবেষকের ধারণা, পানির নিচে বিভিন্ন সরকারি অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর ফলে এমন ঘটনা ঘটে। তবে এ সম্পর্কে সে রকম ভিত্তিযুক্ত কিছু জানা যায়নি আজ পর্যন্ত। আবার চলতি উপকথা অনুসারে এসবের পেছনে দায়ী হলো কোনো অতিপ্রাকৃতিক শক্তি বা ভিনগ্রহের কোনো প্রাণীর উপস্থিতি, তবে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে যে, যেসব দুর্ঘটনার ওপর ভিত্তি করে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে চিহ্নিত করা হয়েছে তার বেশ কিছু ভুল, কিছু লেখক দ্বারা অতিরঞ্জিত হয়েছে এমনকি কিছু দুর্ঘটনার সঙ্গে অন্যান্য অঞ্চলের দুর্ঘটনার কোনোই পার্থক্য নেই।

উদ্দীপক চুইংগাম

১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে রটে যায় এক ধরনের উদ্দীপক চুইংগামের গুজব। ১৯৯৬ সালে মিসরের মানসুরায় গুজব ছড়াতে শুরু করে যে, শহরের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিশেষ ধরনের দুটি চুইংগাম কিনছে, যা তীব্র কামোত্তেজনার সৃষ্টি করে। এও রটে যে, ওইসব চুইংগাম চিবিয়ে শিক্ষার্থীরা যত্রতত্র যৌনতা করে বেড়াচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির একজন সংসদ সদস্য মন্তব্য করেন, মিসরে এ ধরনের উদ্দীপক চুইংগাম ছড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েলি সরকার। তারা মিসরের যুবসমাজকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে। লোকজনকে সতর্ক করা হয়। কথিত ওই দুটি চুইংগামটি ‘অ্যারোমা’ ও ‘সেপ্ল’ নামে বিক্রি হচ্ছিল। চুইংগাম বিক্রির অভিযোগে সরকার বেশ কয়েকটি দোকান বন্ধ করে দেওয়া ছাড়াও অসংখ্য মানুষকে গ্রেপ্তার করে। যদিও তাদের কারও কাছ থেকেই শেষ পর্যন্ত ‘অ্যারোমা’ ও ‘সেপ্ল’ চুইংগাম সম্পর্কে কোনো তথ্য উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয় কর্তৃপক্ষ। একই বছরে উদ্দীপক চুইংগামের গুজব ছড়ায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায়ও। এ ক্ষেত্রে রটনা ছড়ানো হয় একটি স্ট্রবেরি চুইংগামের কথা। বলা হচ্ছিল, এই চুইংগামটি খেয়ে অনেক নারী পতিতাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়ছে। ধারণা করা হতো, ওইসব পতিতা ফিলিস্তিনিদের অনেক গোপন খবর পাচার করে দিচ্ছে ইসরায়েলি সৈন্যদের কাছে।

রাজা পঞ্চদশ লুইস শিশু অপহরণ করত!

১৭৫০ সালে প্যারিসের রাস্তা থেকে শিশুরা অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছিল। কেউ জানত না কেন এবং তাদের মা-বাবারা রাস্তায় দাঙ্গা করত। এই খারাপ সময়ের মাঝখানে একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, রাজা পঞ্চদশ লুইস কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তিনি শিশু অপহরণ করতেন, যাতে তাদের রক্তে গোসল করতে পারেন। সে সময় ধারণা ছিল, শিশুদের রক্তে গোসল করলে কুষ্ঠ রোগ ভালো হয়।

তবে গুজবের মধ্যে কিছুটা সত্যতা ছিল। কর্তৃপক্ষ শিশুদের নিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু রাজপ্রাসাদে না। অনাকাক্সিক্ষতদের রাস্তা থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিশদের অর্থ প্রদান করা হয়েছিল এবং রাস্তায় কোনো শিশু পাওয়া গেলেই তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হতো। সৌভাগ্যবশত, বেশিরভাগই তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হয় এবং রাজার ভয়াবহ স্নান অনুষ্ঠানের গুজবগুলো গুজবের ইতিহাসে স্থান করে নেয়।

জার্মানি ও আমেরিকার

কানাডা আক্রমণ

১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই শুরু হওয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধে প্রথম দিকে জড়িয়ে পড়ে কানাডা। মার্কিনরা অংশ নেওয়ার আরও তিন বছর পর। এই তিন বছরে একটি গুজব ছড়ায় যে, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে কানাডায় একটি অতর্কিত আক্রমণের পরিকল্পনা করেছে।

এ ধরনের গুজব ছড়ানোয় মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন ব্রিটিশ কনসাল জেনারেল স্যার কোর্টনি বেনেট। নিউইয়র্কে তিনি ব্রিটিশ কনসাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯১৫ সালের প্রথম দিকে বেনেট তথাকথিত ওই আক্রমণের পরিকল্পনা সম্পর্কে স্পর্শকাতর বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নায়াগ্রা ফলস এবং বাফেলোতে অবস্থান করা আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ৮০ হাজার সদস্যের একটি জার্মান বাহিনী কানাডা আক্রমণের পরিকল্পনা করেছে। বেশ অদ্ভুত লাগলেও এই সময় কানাডায় বেশ উদ্বেগ ও সন্দেহ ছড়িয়ে পড়ে এবং কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী স্যার রবার্ট বোরডেন এই কাহিনি নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করতে বলেন। পরে কানাডিয়ান পুলিশ কমিশনার এই সন্দেহের কোনো ভিত্তিই খুঁজে পাননি। যুদ্ধবিগ্রহের সময় এ ধরনের গুজব প্রায়ই ছড়িয়ে পড়ে।

বারাক ওবামা

মুসলমান

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সম্পর্কে প্রায়ই যে গুজবটি মাথা চাড়া দেয়, সেটি তার ধর্মবিশ্বাস নিয়ে। তার মধ্যানাম ‘হুসেন’-এর কারণেই এ গুজবটি রটে। ইসলামিক টেররিজমের সূত্র ধরে ওবামার নীতি নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করে দেশের সাধারণ মানুষ। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, আজও ২০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক আর ৩১ শতাংশ রিপাবলিকান বিশ্বাস করে, ওবামা ইসলাম ধর্মাবলম্বী।

নির্মাণ প্রকল্পগুলোর জন্য মাথা লাগবে ইন্দোনেশিয়ান সরকারের!

নির্মাণ মানুষের কাটা মাথা লাগবে এটা বোধহয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সব দেশের মানুষকে বিশ্বাস করানোর মতো গুজব। আফ্রিকা কিংবা ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা কিংবা এশিয়া পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই এ ধরনের গুজব প্রায়ই শোনা যায়। কিছুদিন আগে বাংলাদেশেও কাটা মাথার গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু ইন্দোনেশিয়াকে এ ধরনের গুজবের আখড়া বলে হয়। ১৯৩৭ সালে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, সরকারের নিয়োজিত জল্লাদরা একটি জেটি নির্মাণ প্রকল্পের কাছাকাছি একটি মাথা খুঁজে বেড়াচ্ছে। স্থানীয়রা সরকারি দপ্তরে গিয়ে রিপোর্ট করে তারা অদ্ভুত শব্দ ও অদ্ভুত কিছু দেখতে পাচ্ছে, বাসায় পাথর ছোড়া হচ্ছে এবং জল্লাদরা আক্রমণ করছে। এই ঘটনা এখানে শেষ নয়। ১৯৭৯ সালে ইন্দোনেশিয়ান বর্নেওতে একই ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, যেখানে ইন্দোনেশিয়ান সরকারি এজেন্টরা নতুন ব্রিজের প্রকল্পের জন্য মাথা খুঁজে বেড়াচ্ছে! ১৭৮১ সালে দক্ষিণের বর্নেওতে তেলের খনিতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, তার জন্য সরকারি এজেন্টরা মাথা খুঁজে বেড়াচ্ছে এ রকম আরেকটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এই গুজবগুলো ইন্দোনেশিয়ার সাধারণ জনগণের মনে খুব প্রভাব ফেলেছিল। কেউ খুব প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল।

মাইকেল জ্যাকসন বেঁচে আছেন

২০১৫ নাগাদ এমন একটা গুজব ছড়ায় যে, মাইকেল জ্যাকসন বেঁচে আছেন! একটি ফেক ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করে জানানো হয়, বহাল তবিয়তে প্যারিসের রাস্তায় ঘুরতে দেখা গিয়েছে মাইকেল জ্যাকসনকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মাইকেল জ্যাকসনের ভক্তরা ঝাঁপিয়ে পড়েন এই ভিডিওটি নিয়ে। তুমুল তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। মাইকেল জ্যাকসনের ভক্তরা পোস্ট করতে থাকেন তাদের আইডলকে স্টেজে ফিরে আসার জন্য। কিন্তু কিছু সময়ের মধ্যেই জানা যায় ভিডিওটি ‘ফেক’।

যুক্তরাজ্যে স্কুলে ইংরেজি ভাষার

ব্যবহার উঠে যেতে বসেছে

২০১৫ সালের ২৪ জুলাই যুক্তরাজ্যের ‘ডেই লি এক্সপ্রেস’-এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের সুলগুলোয় ইংরেজি ভাষার ব্যবহার উঠে যেতে বসেছে। অভিবাসীদের এর জন্য দায়ী করা হয়। এ ‘খবর’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় সেই পোস্ট। পরে দেখা যায়, ওই সমীক্ষায় উল্লিখিত পরিসংখ্যানগুলোকে এদিক-ওদিক করা হয়েছিল। দুটি ভাষা বলতে পারে এমন স্কুলছাত্রদের ইংরেজি জানে না বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। আর এ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় তীব্র জাতিবিদ্বেষ মাথাচাড়া দেয়। যাকে সামলাতে দম বেরিয়ে যায় দেশটির প্রশাসনের।

এক টুইটে

১৩০ বিলিয়ন

ডলার গচ্চা!

২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল একটি হ্যাকড অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অ্যাকাউন্ট থেকে একটি টুইট করা হয়, যেখানে বলা হয় হোয়ায়ট হাউসে বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং এতে বারাক ওবামা আহত হয়েছেন। এই একমাত্র টুইটটি বিশ্বের আর্থিক বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছিল এবং স্ট্যান্ডার্ড এবং পুওরের ৫০০ সূচক স্বল্প সময়ের মধ্যে ১৩০ বিলিয়ন ডলার হারিয়ে ফেলে! সৌভাগ্যবশত, এটি দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। অনেক সাংবাদিক প্রথমেই এই টুইট নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল কারণ এই টুইটে প্রেসিডেন্টের এপি স্টাইল অনুসরণ করা হয়নি, কিন্তু ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে গিয়েছিল।

advertisement