advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

পাঞ্জাবিতে ঈদের সাজ

লাবণ্য লিপি
১২ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১১ মে ২০২১ ২১:৪৭
advertisement

ঈদে সাজবে সবাই। বাদ যাবে না পরিবারের পুরুষ সদস্যও। আর ছেলেদের ঈদের সাজপোশাক মানেই তো পাঞ্জাবি। তাই ঈদের নামাজের নতুন পাঞ্জাবি পুরুষের প্রথম কেনাকাটা। কেউ কেউ বিকালের জন্যও বেছে নেন পাঞ্জাবি। এদিকে সময়ও খুব বেশি নেই। যদি এখনো কিনে না থাকেন, তা হলে আজই সংগ্রহ করতে পারেন আপনার ঈদের পাঞ্জাবি। কেমন হয়েছে এবার ঈদের পাঞ্জাবি আর কখন পরবেন কেমন পাঞ্জাবি- চলুন জেনে নিই। বিস্তারিত জানাচ্ছেন লাবণ্য লিপি

ঈদ আসছে গ্রীষ্মকালে। প্রচ- এই গরমে সুতিকাপড়ের পোশাক হয় সবচেয়ে আরামদায়ক। হোক সেটি পাঞ্জাবি কিংবা অন্যকিছু। তবে ঈদের নামাজের জন্য আপনি অনায়াসে বেছে নিতে পারেন সুতিকাপড়ের পাঞ্জাবি। এবার ঈদের পাঞ্জাবি কেমন হলো? শিল্প উদ্যোক্তা ও রঙ বাংলাদশের স্বত্বাধিকারী সৌমিক দাস বলেন, এবারের পাঞ্জাবিতেও থাকছে বৈচিত্র্য। তবে এবার পাঞ্জাবির ঝুল অনেকটাই লম্বা। যারা শর্ট পছন্দ করেন, তাদের জন্যও রয়েছে ভিন্ন রকম কালেকশন। কাটিং ও ডিজাইনেও নতুনত্ব থাকছে। তিনি বলেন, ঈদের সকালে বেছে নিতে পারেন হালকা রঙের পাঞ্জাবি। সাদা, আকাশি, ক্রিম, হালকা হলুদ বা লেমন ইত্যাদি হালকা রঙে আপনাকে সকালে খুব ¯িœগ্ধ লাগে। সকালের পাঞ্জাবিতে কাজও হালকা হলেই ভালো লাগবে।

যেহেতু করোনাকালে আমরা নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য ঘরেই থাকতে চেষ্টা করব, সেহেতু ঘরেও উৎসবকে আনন্দমুখর করে তোলা যায়। বিকালে নিজেদের মধ্যেই আয়োজন করতে পারেন নানা রকম মজার আয়োজন। ওই সময় আপনি পরতে পারেন একটি গর্জিয়াস পাঞ্জাবি। সন্ধ্যা বা রাতের পাঞ্জাবিটি হতে পারে গাঢ় বা উজ্জ্বল রঙের। যেমন- লাল, নীল, বেগুনি, সবুজ বা মেরুণ। রাতের পাঞ্জাবিটির ডিজাইনও হতে পারে একটু জমকালো।

মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, এবার ঈদের পাঞ্জাবির কাটছাঁটে এসেছে বৈচিত্র্য। বৈচিত্র্য দেখা গেছে কলার ও হাতাতেও। ডিজাইনে নতুনত্ব আনতে যোগ করা হয়েছে ভিন্ন রঙের একট্রা কাপড়। পাঞ্জাবিতে সুই-সুতার কাজ যেমন করা হয়েছে, তেমনি করা হয়েছে এমব্রয়ডারি ইত্যাদি। পাঞ্জাবির কলার ও বুকেই মূলত কাজ দেখা গেছে। আবার একরঙের পাঞ্জাবির পাশাপাশি ফুলেল নকশার পাঞ্জাবিতেও ক্রেতার আগ্রহ দেখা গেছে। সুতিকাপড়ের পাশাপাশি আছে সিল্ক, অ্যান্ডি, খাদি ইত্যাদি ফ্যাব্রিকস। কাটিংয়ে সব ধরনের ডিজাইনই দেখা গেছে। ঢিলেঢালা, আঁটসাঁট, লং, সেমিলং, শেরোয়ানি কাট- সব ধরনের পাঞ্জাবিই ছিল ব্র্যান্ডগুলোয়।

শুধু পাঞ্জাবি নয়, পাজামাতেও বৈচিত্র্য দেখা গেছে। কম বয়সীরা চুড়িদার পাজামা বেছে নিলেও একটু বয়সী বা মধ্যবয়সীরা বেছে নিয়েছেন পাজামা। তবে পাঞ্জাবি রঙিন ও স্টাইলিশ হলেও পাজামা অনেকে সাদাই পছন্দ করে থাকেন। তবে সবাই পাজামা বা চুড়িদার পছন্দ করেন না। তরুণরা জিন্সের সঙ্গে পাঞ্জাবিই বেশি পরে থাকে। কেউ কেউ ধুতি-পাজামাও পছন্দ করেন। আবার পাঞ্জাবি, চুড়িদার, উত্তরীয়সহ সেটও অনেকে পছন্দ করেন।

এবারও ঈদ এলো করোনাকালেই। তাই কেনাকাটায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করেছে হাউসগুলো। শপে বিক্রির পাশাপাশি অনলাইনে কেনাকাটার সুযোগ ছিল প্রায় সব ফ্যাশন হাউস ও অনলাইন শপে। দরদামও ছিল অন্য সময়ের চেয়ে তুলনামূলকভাবে সহনশীলতার মধ্যে। উদ্যোক্তারা যেমন তাদের লগ্নিটিকে আটকে রাখতে চাননি, তেমনি এটিও মাথায় রেখেছেন, মধ্যবিত্ত ক্রেতারা যাতে দামের বাহুল্যের কারণে কেনাকাটা না করে ফিরে না যান। ব্র্যান্ডভেদে এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে বয়স ও ডিজাইনভেদে ৬ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে পাঞ্জাবির দাম দেখা গেছে। তবে রেডিমেড মার্কেটে তুলনামূলক কম দামেও পাওয়া যাচ্ছে পাঞ্জাবি।

advertisement