advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

হাটহাজারীতে তা-বের দায় স্বীকার ফয়জীর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেপ্তার আরও ৫

চট্টগ্রাম ব্যুরো ও নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
১২ মে ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১১ মে ২০২১ ২২:২৮
advertisement

হেফাজতে ইসলামের সাবেক প্রচার সম্পাদক জাকারিয়া নোমান ফয়জী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সহিংসতায় মদদ ও জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম কৌশিক আহমেদ খন্দকারের আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, তারা হেফাজতের কর্মী-সমর্থক। এসব ঘটনায় হওয়া মামলায় এখন পর্যন্ত ৪৬২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ) আবদুল্লাহ আল মাসুম বলেন, জাকারিয়া নোমান ফয়জীকে আমরা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলাম। রিমান্ড শেষে তাকে আজ (মঙ্গলবার) আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে জবানবন্দিতে হাটহাজারীতে তা-বের ঘটনায় তার যতটুকু দায় আছে সবটুকু স্বীকার করে

নিয়েছেন। আগামীকাল (বুধবার) আরও একটি মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।

গত ৪ মে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে গোয়েন্দা পুলিশ জাকারিয়া নোমান ফয়জীকে গ্রেপ্তার করে। এরপর গত ২৬ মার্চ হাটহাজারীতে হেফাজতে ইসলামের সহিংস তা-বের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছিল পুলিশ।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলায় ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। জেলাজুড়ে হেফাজতের কর্মী-সমর্থকরা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালান। জেলার বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫৬টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৪০ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৪১৪ জনের নাম উল্লে­খ করা হয়েছে। বাকি সবাই অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী। ৫৬টির মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৪টি, সরাইল থানায় ২টি ও আখাউড়া রেলওয়ে থানায় ১টি মামলা হয়। সহিংসতার ঘটনায় পুলিশ স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা শুরু করেছে। সোমবার মধ্যরাত থেকে গতকাল মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পুলিশের বিশেষ আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সদর, আশুগঞ্জ ও সরাইল উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. রইছ উদ্দিন এর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

advertisement