advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

কর্ণফুলী গ্যাসের দুই কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

সাবেক মন্ত্রীপুত্রকে অবৈধ সংযোগ

চট্টগ্রাম ব্যুরো
১১ জুন ২০২১ ০০:০০ | আপডেট: ১০ জুন ২০২১ ২৩:০৮
advertisement

অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়েরের পর কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) মহাব্যবস্থাপকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সাবেক মন্ত্রী ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নুরুল ইসলাম বিএসসির ছেলে মুজিবুর রহমানকেও দুদকের দায়ের করা ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কেজিডিসিএলের মহাব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং ও সার্ভিসেস) মো. সারওয়ার হোসেন ও সাবেক ব্যবস্থাপক মজিবুর রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর আগ্রাবাদ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ মামলায় মোট আসামি পাঁচজন। অন্যরা হলেন- কেজিডিসিএলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) মোহাম্মদ আলী চৌধুরী ও টেকনিশিয়ান দিদারুল আলম। সাবেক প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির ছেলে মুজিবুর রহমানকে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে তাদের সবাইকে আসামি করা হয়েছে।

গত বুধবার দুদকের চট্টগ্রাম জেলা সমন্বিত কার্যালয়-১ এর উপসহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ স্থানান্তর ও নতুন সংযোগ দেওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ার পর দুদকের প্রধান কার্যালয় মামলা

দায়েরের অনুমোদন দেয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী কাজী ছানোয়ার হোসেন লাভলু জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর সারওয়ার হোসেন ও মজিবুর রহমানকে দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আশফাকুর রহমানের আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এজাহারে পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ প্রসঙ্গে দুদকের এক কর্মকর্তা জানান, নগরীর হালিশহর এলাকার বাসিন্দা এমএ সালাম নামে এক গ্রাহকের নামে বরাদ্দকৃত ১৮টি অব্যবহৃত দ্বৈত চুলার সংযোগ ছিল। এর থেকে ৬টি দ্বৈত চুলা রেখে বাকি ১২টি নগরীর চান্দগাঁও সানোয়ারা আবাসিক এলাকার গ্রাহক মুজিবুর রহমানের নামে স্থানান্তর করা হয়। প্রয়াত সালামের স্ত্রী নুরজাহান সালামের নামে ভুয়া চুক্তিনামা সৃজন করে সেগুলো স্থানান্তর করা হয়। মৃত সালাম এবং মুজিবুর রহমানের গ্রাহক সংকেত আলাদা। ফলে সংযোগ স্থানান্তরের কোনো আইনগত বৈধতা নেই।

এ ছাড়া ২০১৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাস সংযোগ দেওয়া বন্ধ থাকলেও এ সিদ্ধান্ত অমান্য করে আরও ১০টি সংযোগ দেওয়া হয় মুজিবুর রহমানের নামে সানোয়ারা আবাসিক এলাকায়। ২০১৭ সালের ২ মার্চ থেকে পরের বছরের ২ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এসব সংযোগ দেওয়া হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ হিসেবে ভুয়া আবেদনপত্র সৃজনের মাধ্যমে গ্রাহক মুজিবুর রহমানের নামে মোট ২২টি অবৈধ সংযোগ দেওয়া হয়।

advertisement