advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরণে গতি তলানিতে খালাস

চট্টগ্রাম ব্যুরো
২৪ জুলাই ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২১ ১২:১১ এএম
advertisement

সিঙ্গাপুর-কলম্বো বন্দরে জাহাজজটের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে জমে যাওয়া রপ্তানি পণ্য কমতে শুরু করেছে। বেসরকারি ডিপো মালিকরা বলছেন, আগামী এক সপ্তার মধ্যে জমে থাকা সব রপ্তানি পণ্যের কন্টেইনার জাহাজে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে। তবে ঈদুল আজহার বন্ধ এবং গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া লকডাউনে তলানিতে নেমেছে পণ্য খালাস। চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস খোলা থাকলেও ঈদের ছুটিতে প্রায় বন্ধ ছিল খালাস কাজ। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, লকডাউনে পণ্য পরিবহনে কোন বাধা নেই। এরপরও গতকাল পণ্য খালাস হয়েছে মাত্র ৫০০ টিইইউস। সাধারণ সময়ে সাড়ে ৩ থেকে ৫ হাজার টিইইউস খালাস হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন লকডাউনে পণ্য খালাস না বাড়লে বন্দর অভ্যন্তরে জট তৈরি হতে পারে। এতে অপারেশনাল কাজে ব্যাঘাত ঘটবে। তবে ধীরে ধীরে খালাস বাড়বে বলে মনে করেন বন্দর কর্মকর্তারা।

বিকডা সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটির আগেও ১৯টি ডিপোতে ১৬ হাজারের বেশি রপ্তানি পণ্যের কন্টেইনার ছিল। ২ হাজার কমে গতকাল শুক্রবার ১৪ হাজারে নেমে এসেছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সব পণ্য জাহাজে তুলতে পারবেন বলে আশা করছেন ডিপো মালিকরা। তবে আমদানি পণ্যের খালাস বন্ধ থাকলে রপ্তানি পণ্য রাখার স্থান সংকট দেখা দিতে পারে।

বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোটস অ্যাসোসিয়েশনের সচিব

রুহুল আমীন শিকদার আমাদের সময়কে বলেন, বর্তমানে ডেলিভারি নাই। ঈদ পরে কার্গো ও ডেলিভারি থাকে না। সিডিউল অনুযায়ী জাহাজে তুলে দেওয়া হচ্ছে। শেডে থাকা কন্টেইনার নামানো হচ্ছে। এসব কাজ করতে করতেই লকডাউন প্রায় শেষ হয়ে যাবে। তাই রপ্তানিতে প্রভাব পড়বে না। তবে ডেলিভারি হবে কিনা জানি না। কারণ খাদ্যপণ্য ছাড়া অন্যকিছু খালাস হবে না।

এদিকে ঈদের দিন থেকে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য খালাস কমে গেছে। বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাধারণত ঈদের পর অন্তত এক সপ্তাহ খুব বেশি পণ্য খালাস হয় না। ফলে লকডাউনের কারণে খালাস কমবে না।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সাধারণ সময়ে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৩ থেকে ৫ হাজার টিইইউস খালাস হয়। গতকাল শুক্রবার হয়েছে প্রায় ৫০০ টিইইউস। আগেরদিন বৃহস্পতিবার হয়েছে ১২৮, ঈদের দিন বুধবার ১ হাজার ৫৯১ টিইইউস।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক আমাদের সময়কে বলেন, ঈদের পরে কয়েকদিন খালাস কম থাকে। লকডাউনে বন্দরের সব বিভাগ খোলা থাকবে। কিন্তু কি পরিমান খালাস হয় তা এখন বুঝা যাচ্ছে না। আগামী কাল অফিস খুললে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। তখন প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ৯২ শতাংশ আমদানি এবং শতভাগ রপ্তানি হয়। আমদানি পণ্য বিশে^র বিভিন্ন দেশ থেকে সিঙ্গাপুর ও কলম্বো বন্দরে আসে। সেখান থেকে ফিডার জাহাজে করে চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পর খালাস নেন আমদানিকারকরা। অন্যদিকে পণ্য প্রস্তুতের পর ট্রাক বা কাভার্ডভ্যানে করে রপ্তানি পণ্য পাঠানো হয় ১৯টি বেসরকারি ডিপোতে। সেখানে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্নের পর চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে থাকা জাহাজে তুলে দেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর বা কলম্বো বন্দর থেকে বড় জাহাজে করে গন্তব্যে পৌঁছে যায়।

advertisement