advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ট্রেনে বাচ্চা প্রসব
সহায়তাকারী ১০জনকে পশ্চিম রেলের সংবর্ধনা

রাজশাহী ব্যুরো
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১:৫৯ পিএম
advertisement

খুলনা থেকে রাজশাহীগামী সাগরদাড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনে নারীর সন্তান প্রসবের ঘটনায় একজন শিক্ষানবীশ আইনজীবী, একজন চিকিৎসকসহ ১০ জনকে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল বিকালে রাজশাহীতে পশ্চিম রেলের সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে তাদের সংবর্ধনা জানানো হয়।

সংবর্ধনাপ্রাপ্তরা হলেন- ডা. ফারজানা তাসনীম, পাবনা জজ আদালতের শিক্ষানবীশ আইনজীবী মুক্তা রাণী কর্মকার, ট্রেনটির গার্ড এএম আজিমুল হোসাইন, রুবায়েত হাসান, পরিচর্যক সাব্বির হোসেন ঝলক, মুক্তার হোসেন, সহকারী বাবুল খান, টিটি মো. সুমন, সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটন এবং ট্রেনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী দীপক। পশ্চিম রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মিহির কান্তি গুহ তাদের ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানান। এ ছাড়া তাদের একটি করে প্রশংসাপত্রও দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া থেকে সন্তান প্রসবের জন্য সাবিনা ইয়াসমিন (২৫) নামে এক নারীকে রাজশাহী আনা হচ্ছিল। নাটোরের আবদুলপুর ও রাজশাহীর আড়ানীর মাঝামাঝি স্থানে ট্রেনের মধ্যেই ওই নারী একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন। ওই নারী সঙ্গে তার এক বোন ও চাচি ছিলেন। তবে ট্রেনের মধ্যে প্রসব বেদনায় ছটফট শুরু করলে তারা কী করবেন তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। তখন প্রথমেই এগিয়ে আসেন পাশের সিটে বসা মুক্তা রাণী কর্মকার। বাচ্চাটি জন্মের পর এসে নাড়ি কাটেন ডা. ফারজানা তাসনীম। তিনি বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও এখনো কোথাও যোগ দেননি। ট্রেনের মধ্যে সাবিনা ইয়াসমিনের এ অবস্থা দেখে পরিচর্যক সাব্বির হোসেন ঝলক তা গার্ডকে জানিয়েছিলেন। গার্ড তখন ট্রেনের মাইকে চিকিৎসকের সহায়তা কামনা করেন। এর পরই এগিয়ে আসনে ওই চিকিৎসক। তিনি নাড়ি কেটে বাচ্চা ও মাকে আলাদা করেন। পরে পশ্চিম রেলের ব্যবস্থাপনায় সাবিনা ও তার সন্তানকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। গতকাল রবিবার তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিম রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মিহির কান্তি গুহ বলেন, ‘ট্রেনে বাচ্চা জন্মদানের ঘটনা শুনেছি। এ বিপদে যারা পাশে ছিলেন তারা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। এ জন্য অফিসে ডেকে তাদের ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। বিপদ কখন কার হয়ে আসবে তা বলা মুশকিল। এমন বিপদের সময় আমরা যাতে পরস্পর পরস্পরকে সহযোগিতা করতে পারি এমনটাই আমাদের সবার কামনা।’

advertisement
advertisement