advertisement
DARAZ
advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর সফল হবে : জাপান রাষ্ট্রদূত

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
১৪ অক্টোবর ২০২১ ০২:৪০ পিএম | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২১ ০২:৫৯ পিএম
জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো। ছবি : আমাদের সময়
advertisement

ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর সফল হবে। এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্টস অব বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। ডিক্যাব সভাপতি পান্থ রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক একেএম মঈনুদ্দীন।

জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে সহায়ক পরিবেশ থাকা জরুরি। সেখানে সেনা অভ্যুত্থানের কারণে খুব শিগগির রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে ১৫০ মিলিয়ন ডলার সহযোগিতা দিয়েছি। রাখাইন রাজ্যে আমরা ৬৪ মিলিয়ন সহযোগিতা দিয়েছি প্রত্যাবাসন সহজ করতে। মিয়ানমারের পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, সেটা অনুমান করা যেমন কঠিন, প্রত্যাবাসন দ্রুত হবে এটা আশা করাও কঠিন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাই চাপ অব্যাহত রাখতে হবে।’

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনায় জাপান সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। এক এক দেশের আলোচনার ধরন একেক রকম। আমরা অনেক পথ, অনেক উপায়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করছি’, যোগ করেন নাওকি ইতো।

আগামী নভেম্বরে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে জাপান বাংলাদেশকে আরও টিকা পাঠাবে বলেও জানান জাপানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, গত জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩০ লাখ টিকা উপহার দিয়েছে জাপান। এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদ দমনে সহায়ক নানা ধরনের সামগ্রী জাপান উপহার পাঠাবে বলেও জানান তিনি।

জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশকে নানাভাবে সহযোগিতা দিচ্ছে জাপান। এর অংশ হিসেবে এ বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে এসব সামগ্রী পাঠানো হবে।

তিনি আরও বলেন, জাপান এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার হতে যাচ্ছে। বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের স্ট্যাটাস অনেক বেড়েছে। এর পিছনে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সামাজিক উন্নয়ন বড় ভূমিকা রেখেছে।

দেশে চলমান জাপানি প্রকল্পগুলো নিয়ে নাওকি ইতো বলেন,‘মাতারবাড়ি শুধু বাংলাদেশ নয়, এ অঞ্চলের স্বপ্ন। এটি এ অঞ্চলের অন্যতম একটি পাওয়ার হাব হিসেবে কাজ করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বেশিরভাগ বড় প্রকল্পে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ে। জাপানের ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা যাচাই করতে বেশি সময় লাগে, কিন্তু এটা সব সময় একটু গুণগত কাজ হয়। প্রকল্পের সময়, বাজেট এবং গুণগতমান রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।’

ইন্দো প্যাসিফিক স্ট্র‍্যাটেজিক-আইপিএস জোটে যুক্ত হলে বাংলাদেশ লাভবান হবে বলেও জানান জাপানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘আইপিএস জোটে বাংলাদেশের ব্যবহারিক অংশগ্রহণ দেখতে চায় জাপান। এর ফলে বাংলাদেশ লাভবান হবে। আইপিএস জোট সবার জন্যই উম্মুক্ত। যেকোনো দেশ এতে যুক্ত হতে পারে। এ জোট শুধু কোনো নিরাপত্তার বিষয় নয়, অর্থনৈতিক অগ্রগতিও এর সঙ্গে যুক্ত। বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এ জোটের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রয়োজন।’

advertisement