advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর
স্ত্রীসহ প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ অক্টোবর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২১ ০৯:৫০ এএম
advertisement

ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে ৬ কোটি ১৭ লাখ ৩১ হাজার ৭৬৩ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার সংস্থাটির উপপরিচালক আশীষ কুমার কু-ু বাদী হয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলামের স্ত্রী সৈয়দা তামান্না শাহেরীন ও সৈয়দ হাসান শিবলী।

মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলামের নামে ইস্টার্ন ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় ১৪টি এফডিআরে ৮ কোটি টাকা এবং যমুনা ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখায় ৮ লাখ ৭৪ হাজার ৫৩৭ টাকার জমার তথ্য পায় দুদক। দুদকের অনুসন্ধানে তার স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ৮ কোটি ৩৮ লাখ ১৩ হাজার ৯৩৭ টাকার সম্পদের তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়। এর মধ্যে সরকারি চাকরির আগের সঞ্চয় ও চাকরিকালীন সঞ্চয়সহ অন্যান্য আয় মিলিয়ে দুই কোটি ৩৮ লাখ ১৩

হাজার ৯৩৭ টাকার গ্রহণযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়। দুদকের অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে ৬ কোটি ১৭ লাখ ৩১ হাজার ৭৬৩ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্যপ্রমাণ পাওয়ায় মামলা করা হয়।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, নজরুল ইসলাম ১৯৮৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগদান করেন। চাকরি শেষ করে তিনি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে অবসর নেন। চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার আগে প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম ইস্টার্ন ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় ২০১৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ১৪টি এফডিআর হিসাবে ৮ কোটি টাকা নগদ জমা করেন। এ ছাড়া যমুনা ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখার সঞ্চয়ী হিসাবে ৮ লাখ ৭৪ হাজার ৫৩৭ টাকা জমা করেন। এক বছরে তার ব্যাংকে হিসাবে নগদ ৮ কোটি টাকা জমা হয়, যার অর্জনের গ্রহণযোগ্য কোনো তথ্যপ্রমাণ তিনি দেখাতে পারেননি। একজন সরকারি কর্মচারীর ব্যাংক হিসাবে নগদ ৮ কোটি টাকা জমার কোনো তথ্য না থাকায় এ অর্থ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জনের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম তার স্ত্রীর তামান্না শাহেরীনের কাছ থেকে ২০১০-১১ অর্থবছরে ২ কোটি টাকা এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪ কোটি টাকাসহ মোট ৬ কোটি টাকা দান হিসাবে গ্রহণ দেখান। তিনি একজন গৃহিণী। তার খামার বা মৎস্য চাষের কোনো ব্যবসা নেই। তিনি গৃহিণী স্ত্রীকে মৎস্য ব্যবসায়ী দেখিয়ে ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত ৬ কোটি অর্থ বৈধ করার চেষ্টা করেন। তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে ৮ কোটি ৩৮ লাখ ১৩ হাজার ৯৩৭ টাকার সম্পদ রয়েছে। যার মধ্যে অবৈধভাবে অর্জিত ৬ কোটি ১৭ লাখ ৩১ হাজার ৭৬৩ টাকার সম্পদ।

advertisement
advertisement