advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

চীনকে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছে বাইডেন প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক
২৪ নভেম্বর ২০২১ ১২:২৫ পিএম | আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২১ ১২:২৫ পিএম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং
advertisement

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা কোনোভাবেই কমছে না। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে যেই কঠোর নীতি আরোপ করেছিলেন, বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তা আরও বেশি বিস্তৃত করেছেন। শুধু তাই নয়, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশকে সঙ্গে নিয়ে বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে একের পর এক নতুন প্রতিযোগিতায় জড়িয়ে পড়েছে বাইডেন প্রশাসন।

সংবাদমাধ্যম দ্য হংকং পোস্ট তাদের একটি সম্পাদকীয়তে জানিয়েছে, বাইডেন প্রশাসন চীনকে দূরবর্তী, বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয় বরং ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিযোগী হিসেবে দেখছে। যদিও গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং একটি দ্বিপাক্ষিক ভার্চুয়াল শীর্ষ বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। যেখানে বিভিন্ন ইস্যুতে তারা নিজ নিজ দেশের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।

এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বেইজিংয়ের অন্যায় বাণিজ্য নীতির বিষয়ে কথা বলেছেন বাইডেন। জিনজিয়াং, তিব্বত এবং হংকং-এ চীনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশটির মানবাধিকার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এছাড়া বেইজিংয়ের অন্যায্য বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক অনুশীলন থেকে মার্কিন শ্রমিক এবং শিল্পকে রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বাইডেন।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট চিনপিং তার পক্ষ থেকে তাইওয়ানের প্রতি মার্কিন সমর্থন এবং বিশ্বে ‘বিভাজন’ সৃষ্টিকারী জোট ও গ্রুপিংয়ের বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। মানে কোয়াড, যেখানে ভারতের মতো বৃহৎ সামরিক ও অর্থনৈতিক দেশ রয়েছে। এছাড়া অকাস- যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া রয়েছে। এই জোটগুলোকে ইঙ্গিত করেছেন চিনপিং। অকাস চুক্তির ফলে অস্ট্রেলিয়াকে পারমানবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন প্রযুক্তি হস্তান্তর করবে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য বিনষ্ট হবে, যা বেইজিংকে বেকায়দায় ফেলবে। ফলে এগুলো নিয়ে অভিযোগ-অনুযোগ জানিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট।

দ্য হংকং পোস্ট জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে বাইডেন তার দেশের জনগণের ভোট টানতে চীনের ওপর আরও কঠোর হতে পারেন। কাজেই বলা যেতে পারে, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা শিগগিরই প্রশমিত হচ্ছে না। ট্রাম্প লড়াই শুরু করেছিলেন, বাইডেন তা আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এই ক্ষেত্রে রিপাবলিক ও ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্টের নীতিতে কোন পার্থক্য নেই। তবে বাইডেন নতুন করে একটি বিষয় যুক্ত করতে চলেছেন, তা হলো- তিনি চীনকে দূরবর্তী ও বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিযোগী হিসেবে দেখছেন।

advertisement
advertisement