advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

নিরাপত্তা জোরদার পুলিশের, ছুটি বাতিল

খালেদা জিয়া ইস্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২১ ০২:৩৮ এএম
advertisement

রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে বিএনপি। গতকাল বুধবারও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি। এই দাবি আদায়ে গতকালও কর্মসূচি পালন করে। এমন প্রেক্ষাপটে যে কোনো ধরনের উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারাদেশে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নিরাপত্তা জোরদার করতে বলা হয়। পুলিশের সব ধরনের ছুটি বাতিল করতেও নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। এই নির্দেশ পাওয়ার পর ইতোমধ্যে মঙ্গলবার রাত থেকেই সারাদেশে পুলিশের সব ইউনিট নিরাপত্তা জোরদার করেছে। পুলিশ সদর দপ্তরসহ পুলিশের একাধিক ইউনিটের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের দায়িত্বশীল এক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আমাদের সময়কে বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ইস্যুতে দলটি যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে, এ জন্য ঢাকার সব থানাকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। মৌখিক নির্দেশে সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এমনকি যারা ছুটিতে আছেন, তাদের জরুরি কাজ না থাকলে কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। এদিকে খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে পুঁজি করে বিএনপি সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়তে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীদের ঢাকায় জড়ো করার পরিকল্পনা করেছ বলে সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিবেদন দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেওয়া ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক লাখ লোক জড়ো করে অনির্দিষ্টকালের জন্য ঢাকার রাজপথ দখলে রাখার পাশাপাশি সহিংসতা ঘটানোর আশঙ্কা আছে।

ওই প্রতিবেদনে আটটি পর্যবেক্ষণ দিয়ে ১২টি সুপারিশ করা হয়েছে, যার মধ্যে চারটিই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা-সংক্রান্ত। সুপারিশে বলা হয়, খালেদা জিয়াকে আইনানুগভাবে চিকিৎসার প্রয়োজনে দেশের বাইরে পাঠানোর কোনো সুযোগ রয়েছে কিনা তা বিচার-বিশ্লেষণ করতে দেশের স্বনামধন্য আইনজীবীদের সমন্বয়ে বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা যেতে পারে।

খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে বিএনপি যে কোনো ধরনের নাশকতা চালাতে পারে- এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে সুপারিশে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর সব ধরনের অপচেষ্টা রোধ করতে হবে। রাজধানীসহ দেশের সব মহানগর, জেলা, উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়াতে হবেÑ যাতে বাইরে থেকে ঢাকায় এসে সমাবেশ ঘটতে না পারে। বাইরে থেকে ঢাকামুখী যানবাহনগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে। পুলিশের টহল, চেকপোস্ট ও তল্লাশি বাড়াতে হবে। এ ছাড়া সন্দিগ্ধ ব্যক্তি ও মোটরসাইকেলসহ সন্দেহজনক যানবাহনে তল্লাশি জোরদার করতে হবে। রাজধানীর আবাসিক হোটেল, কমিউনিটি সেন্টার, নির্মাণাধীন ভবনসহ বিভিন্ন মেসে যাতে ঢাকার বাইরে থেকে আসা নেতাকর্মীরা অবস্থান করতে না পারে, সে জন্য পুলিশি রেইড চালানো যেতে পারে।

advertisement
advertisement