advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

মানবপাচারের কারণ খোঁজার আহ্বান

জাতিসংঘে রাবাব ফাতিমা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
২৫ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২১ ০২:৩৮ এএম
advertisement

জলবায়ুজনিত নাজুক পরিস্থিতি, সংঘাত ও বাস্তুচ্যুতির মতো বহুমুখী কারণে মানবপাচার ঘটছে। এগুলো মূল হলেও মানবপাচারের পেছনে আরও কিছু কারণ রয়েছে, যেগুলো খুঁজে বের করে তা সমাধানে জাতিসংঘকে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল বুধবার মানবপাচার রোধে বৈশ্বিক কর্ম পরিকল্পনার মূল্যায়নের ওপর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ আয়োজিত এক উচ্চ পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্যে এই আহ্বান জানান জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমনে শক্তিশালী আইনি কাঠামো, বহু অংশীজনের অংশীদারিত্ব ও কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বরোপ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। তিনি বলেন, মানবপাচার একটি গুরুতর অপরাধ, যা মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার মৌলিক নীতিগুলোর পরিপন্থী। মানবপাচার রোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিভিন্ন আইন, নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিয়েছে। মানবপাচার ও চোরাচালানের মধ্যে যে যোগশাজস রয়েছে তা আমলে নিয়েই আমরা জাতীয় পর্যায়ে মানবপাচারবিরোধী কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকি। এ ছাড়া এ বিষয়ক আইন প্রণয়নে আমরা পালারমো প্রটোকল অনুসরণ করছি।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে জাতীয় কর্মপরিকল্পনাকে এসডিজি বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সন্নিবেশিত করেছে, যা মানবপাচার রোধে ভূমিকা রেখেছে। পাচারের শিকার ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান ও এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে এনজিও, সুশীলসমাজসহ অন্য সংস্থাগুলোর কাজের স্বীকৃতি দেন তিনি।

বাংলাদেশে মানবিক আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা পাচারের ঝুঁকিতে রয়েছে উল্লেখ করে রাবাব ফাতিমা এই জনগোষ্ঠীর আশু নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের দাবি জানান। এ ছাড়া তিনি শ্রমিকপাচার হ্রাসে শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রাবাব ফাতিমা বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক খাত এবং দেশে ফেরত আসা প্রবাসীদের ওপর কোভিডের ভয়াবাহ প্রভাবের উদাহরণ দেন। তিনি উপযুক্ত জীবিকার সুযোগ ও রাষ্ট্রগুলোর কোভিড পুনরুদ্ধার পরিকল্পনায় ফেরত আসা প্রবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।

মানবপাচার প্রতিরোধবিষয়ক সাধারণ পরিষদে রেজ্যুলেশনের আওতায় দুদিনব্যাপী উচ্চ পর্যায়ের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মানবপাচার প্রতিরোধে বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি মূলায়ন করা হয়। সভায় এ বিষয়ক একটি রাজনৈতিক ঘোষণা গ্রহণ করা হয়েছে। মূল আয়োজনের পাশাপাশি বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া, কাতার, যুক্তরাজ্য এবং ইউএনওডিসি একটি উচ্চ পর্যায়ের সাইড ইভেন্ট আয়োজন করে।

advertisement
advertisement