advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ডাইনিংয়ে ভর্তুকি নেই দুর্ভোগে শিক্ষার্থী

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত দাম দিয়ে খাবার খেতে হচ্ছে

কুবি প্রতিনিধি
২৬ নভেম্বর ২০২১ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২১ ১১:১৭ পিএম
advertisement

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলে খাবারের ভর্তুকি না থাকায় দুর্ভোগে রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। হলে স্বল্প পুষ্টিসম্পন্ন খাবার কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দোকানগুলোতে অতিরিক্ত দাম দিয়ে খাবার খেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

হল সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে মাসিক দায়িত্ব দিয়ে ডাইনিংগুলো পরিচালিত হয়। অনেক সময় মাসের মাঝামাঝিতে এসে বন্ধ হয়ে যায় এসব ডাইনিং। এ ছাড়া গত ২৭ অক্টোবর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খোলা হলেও কাজী নজরুল ইসলাম হলে চালু হয়নি ডাইনিং। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কাজী নজরুল ইসলাম হলে সাবেক প্রভোস্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এখনো নতুন প্রভোস্ট না নিয়োগ হওয়ায় ডাইনিংয়ের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারছে না হলটি। ফলে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগও বেড়েছে।

advertisement

শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ডাইনিংগুলোতে একই ধরনের খাবার প্রায় প্রতিদিন নিয়ম মাফিক চলতে থাকে। এসব খাবারে থাকে না তেমন পুষ্টিগুণ। এ ছাড়া দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সাথে সাথে কুবিসংলগ্ন হোটেলগুলোতে বাড়িয়ে দেওয়া হয় খাবারের দাম। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলেও কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় আনসারদের অস্থায়ী ক্যাম্প থাকায় বন্ধ হয়ে আছে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সিফাত ফয়েজ বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোগান্তিও বাড়ছে।

advertisement 4

হলের খাবারে ভর্তুকি দিলে আমাদের খাবারের গুণগত মান বাড়বে, ভোগান্তি কিছুটা লাঘব হবে।

নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী নাঈমা নুন বলেন, সব হলের ডাইনিংয়ে ভর্তুকি প্রয়োজন। ভর্তুকি থাকলে কম টাকায় আরও ভালো খাবার পেতাম।

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ইউজিসিতে আমরা এ বিষয়ে অনেকবার বলেছি; কিন্তু ইউজিসি হলের ভর্তুকি বাবদ কোনো টাকা আমাদের প্রদান করে না। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তুকি দিচ্ছে সেগুলো নিজস্ব আয় থেকে দেয়; কিন্তু আমাদের সেরকম আয় নেই।

নিজস্ব আয় বৃদ্ধির চিন্তা কুবি প্রশাসন করছে কিনাÑ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনেক মার্কেট থাকে, যেখান থেকে আয় হয়। নতুন ক্যাম্পাস যেহেতু ২০০ একরের সেহেতু সেখানে এসব (মার্কেট) করা যায় কিনা সে বিষয়ে আমরা বাবছি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় বড় হলে শিক্ষার্থীদের দেওয়া বেতন থেকেও একটি অংশ তখন থাকবে।

কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে প্রভোস্ট না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমরা দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেব।

advertisement