advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

৫৫ লাখ মানুষের মৃত্যু, করোনার উৎসস্থল অনুসন্ধানে চীনের অস্বীকৃতি

অনলাইন ডেস্ক
১৩ জানুয়ারি ২০২২ ০২:২২ পিএম | আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২২ ০২:২৭ পিএম
উহানের এই ইন্সটিটিউট অফ ভাইরোলজিকেই করোনাভাইরাসের আঁতুড়ঘর হিসেবে ধারণা করা হয়। ছবি : হিন্দুস্তান টাইমস
advertisement

দুই বছর আগে ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর চীনের উহানে প্রথমবারের মতো করোনা শনাক্তের কথা নিশ্চিত করেছিল দেশটির ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট সরকার।

এর পরের মাসে ২৩ জানুয়ারি চীনে যখন ৫৫৭ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয়, তখন বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হবে কিনা, তা নিয়ে বিতর্কে জড়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

তারও দুই মাস পর মার্চ মাসের ১১ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যখন করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে, ততক্ষণে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী।

এরপরের ঘটনা সবারই জানা। দুই বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই ভাইরাসের কয়েকটি ঢেউ দেখেছে, যা এখনো চলমান এবং আগামীতেও যা অব্যাহত থাকতে পারে।

এমন কোন খাত নেই, যেখানে এই ভাইরাসের সর্বনাশা আঘাত লাগেনি। মুখ থুবড়ে পড়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি। অথচ ভাইরাসটি চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হলেও এর উৎপত্তি এবং কীভাবে তা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ল তা এখনো অজানা।

বিশ্বের প্রভাবশালী সংস্থাগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশ ও পশ্চিমা বলয়ভুক্ত দেশগুলো ভাইরাসের উৎপত্তি অনুসন্ধানে চীনকে চাপ দিয়েও ব্যর্থ হয়।

কারণ, দেশটি চায় না এ নিয়ে কোন অনুসন্ধান হোক। বেইজিংয়ের যুক্তি এটি প্রকৃতি থেকে সৃষ্ট একটি ভাইরাস। এটি নিয়ে অনুসন্ধান চালানোর প্রস্তাব মানে চীনকে হেয় করা। ফলে মার্কিন গোয়েন্দারা চীনে প্রবেশ করে উৎস অনুসন্ধান করতে পারছে না, কারণ চীন তাদের অনুপ্রবেশকারী হিসেবে দেখে। আর, ন্যাটো বা আসিয়ান কেউই চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক পরাশক্তিকে প্রশ্ন করতে আগ্রহী নয়।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের নেতৃত্বে ভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে তদন্তের জন্য উঠে দাঁড়ানোর সাহস ছিল কিন্তু তার ফলে বেইজিং ক্যানবেরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

জাপান এবং ইইউ ভাইরাসের উৎসস্থল খোঁজার চেয়ে অর্থনীতি নিয়ে বেশি চিন্তিত। আর জাতিসংঘ সম্পর্কে যত কম বলা যায় ততই ভালো!

advertisement
advertisement