advertisement
advertisement
advertisement
DBBL
advertisement
advertisement

নির্বাচন কমিশন ঠুঁটো জগন্নাথ, এর পরও আস্থা রাখতে চাই

সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
১৫ জানুয়ারি ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ০৩:২০ এএম
advertisement

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র পদপ্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের হোটেলগুলো চেক করলেই দেখতে পাবেন বিভিন্ন জেলার সরকারদলীয় নেতারা এখানে অবস্থান করছেন। সার্কিট হাউস, ডাকবাংলোকে নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। আইন অনুসারে সরকারি কোনো গাড়ি, কোনো ডাকবাংলো ব্যবহার করার নিয়ম নেই। এটা আচরণবিধি লঙ্ঘন। এই আচরণবিধি লঙ্ঘন করেই আমাদের সরকারি দলের মেহমানরা নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনী প্রচারের শেষদিন গতকাল শুক্রবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তৈমূর এসব অভিযোগ করেন।

বিএনপির পদ হারানো তৈমূর বলেন, গত (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা জাহাঙ্গীর কবির

নানক তার কিছু সঙ্গী নিয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে আলাপ করেছেন। তিনি (নানক) অবশ্য বলেছেন তিনি নির্বাচন প্রভাবিত করতে যাননি। কিন্তু তার বক্তব্য ও দেখা করতে যাওয়ার সঙ্গে কোনো সমন্বয় নেই। প্রথমত তিনি নির্বাচনের আগে কোনোভাবেই প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেন না। তিনি নারায়ণগঞ্জের নাগরিকও নন। এটি আইনগতভাবে আমি অন্যায় মনে করি। তিনি জনমনে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছেন। এটি একজন উচ্চপর্যায়ের সম্মানিত নেতার কাছ থেকে আমরা আশা করি না। আমি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, নারায়ণগঞ্জের মানুষ প্রত্যাশা করে আপনি এ দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতার মালিক হয়ে নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনকে নির্বিঘœ, স্বচ্ছ ও সুন্দরভাবে করার ব্যবস্থা নেবেন।

হাতি মার্কার প্রার্থী তৈমূর বলেন, নির্বাচন কমিশনে আমরা অত্যন্ত আস্থার সঙ্গে অনেকগুলো অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, বরং সেসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশে আমি ১৬ ডিসেম্বর বিএনপির বিজয় র?্যালিতে যাইনি। অথচ সরকারি দলের প্রার্থী এমপিদের নিয়ে একের পর এক সমাবেশ করছেন। তারা আমাকে, আমার কর্মীদের হুমকি দিচ্ছেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে তিনটি অভিযোগ দিয়েছি। তোরণ নির্মাণ ও সড়ক দখল করে মার্কা স্থাপন করা আচরণবিধির লঙ্ঘন। প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছিল তারা তোরণ ভেঙে দেবে। কিন্তু তারা সেটা করেনি। এ ছাড়াও অন্যান্য আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারেও বারবার অবহিত করা হয়েছে। তারা শুধু আশ্বাস দিয়েছে, কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। জনগণের ধারণা- নির্বাচন কমিশন একটা ঠুঁটো জগন্নাথ, তারা সেই পথেই হাঁটছেন। এর পরও আমি নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে চাই।

বিভিন্ন গুজব ছড়ানো হচ্ছে অভিযোগ করে তৈমূর বলেন, আমি নাকি বসে পড়ব। বসে পড়ার জন্য নির্বাচনে নামিনি। নির্বাচন করার জন্য নেমেছি। আমি একটা দল করি। আমি বিএনপির একজন সক্রিয় সদস্য। এই দলের জন্য রাজপথে গুলিবিদ্ধ হয়েছি। মিডিয়াতে দেখেছেন পুলিশ কতবার শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছে। ২০১৬ সালে আমাকে মনোনীত করা হলেও আমি নির্বাচন করিনি। শহরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবের জন্যই আজ আমাকে নির্বাচনে নামতে হয়েছে।

advertisement
advertisement