advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রতারণার এক মামলায় সাহেদের বিচার শুরু

আদালত প্রতিবেদক
১৯ জানুয়ারি ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২২ ০৮:৫৫ এএম
advertisement



প্রতারণার একটি মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী গতকাল মঙ্গলবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চার্জ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার
শুরু হওয়া এ মামলার অপর আসামি রিজেন্ট কেসিএস লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার শিপন আলী। আদালতে আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট দবির উদ্দিন। ২০২০ সালের ২৪ জুলাই বালু ব্যবসায়ী এসএম শিপন উত্তরা পশ্চিম থানায় প্রতারণার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগ থেকে জানা যায়, শিপন আলী ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর বাদীর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ১৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকার ৫০ লাখ সিএফটি বালু সরবরাহের অর্ডার করেন। সেই সঙ্গে পূবালী ব্যাংকের তিনটি চেক দেন প্রতিষ্ঠানটির
এ জেনারেল ম্যানেজার। এদিকে অর্ডার অনুযায়ী এসএম শিপন ৬১ লাখ টাকার বালু সরবরাহ করেন। পরে চেকগুলো ব্যাংক থেকে ডিসঅনার হয়। তাই শিপন আলীর কাছে বিল চান ব্যবসায়ী শিপন। কিন্তু দেই, দিচ্ছি বলে তাকে ঘুরাতে থাকেন আসামি। পরে শিপন আলী তাকে জানান, রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ও এমডি মাসুদ পারভেজের নির্দেশেই তিনি বালুর অর্ডার দেন। ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি টাকা চাইলে সাহেদ ও মাসুদের কাছে বাদীকে নিয়ে যান ম্যানেজার শিপন। কিন্তু টাকার পরিবর্তে আসামিরা তাকে উল্টো ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেন। এ বিষয়ে কাউকে কিছু বললে প্রাণে শেষ করে দেওয়ারও হুমকি দেন তারা। তখন বাদী নিশ্চিত হন এরা সবাই প্রতারক। প্রতারণা করে ৬১ লাখ টাকার বালু নিয়ে তারা আত্মসাৎ করেছেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০২০ সালে ৮ নভেম্বর তিনজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির পুলিশের পরিদর্শক আকরাম হোসেন।
করোনা টেস্ট না করে ভুয়া রিপোর্ট, ভুয়া নেগেটিভ ও পজিটিভ সার্টিফিকেট দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগের মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদকে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে ২০২০ সালের ১৫ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় অবৈধ অস্ত্র। ওই অস্ত্র মামলায় ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদ- দেন।