advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জীবনাবসান

১৭ মে ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ১৭ মে ২০২২ ০১:১৩ এএম
advertisement

বিশিষ্ট বাঙালি কবি, নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের (১৯ জুলাই ১৮৬৩-১৭ মে ১৯১৩) মৃত্যুদিবস আজ। তিনি ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি প্রায় ৫০০ গান রচনা করেন। এই গানগুলো বাংলা সংগীতজগতে দ্বিজেন্দ্রগীতি নামে পরিচিত। তার বিখ্যাত গান ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা’,

advertisement

‘বঙ্গ আমার! জননী আমার! ধাত্রী আমার! আমার দেশ’ আজও সমান জনপ্রিয়। তিনি বেশ কিছু নাটকও রচনা করেন।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে। তার পিতা কার্তিকেয়চন্দ্র রায় ছিলেন কৃষ্ণনগর রাজবংশের দেওয়ান। তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট খেয়াল গায়ক ও সাহিত্যিক। তার মা প্রসন্নময়ী দেবী ছিলেন অদ্বৈত আচার্যের বংশধর। দ্বিজেন্দ্রলালের দুই দাদা রাজেন্দ্রলাল ও হরেন্দ্রলাল এবং এক বৌদি মোহিনী দেবীও ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যস্রষ্টা।

দ্বিজেন্দ্রলালের দুই অগ্রজই ছিলেন লেখক ও পত্রিকা সম্পাদক। গৃহে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, দীনবন্ধু মিত্র প্রমুখের যাতায়াত ছিল। এ রকম একটি পরিবেশে কৈশোরেই তিনি কবিতা রচনা শুরু করেন। ১৯০৫ সালে তিনি কলকাতায় পূর্ণিমা সম্মেলন নামে একটি সাহিত্য সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯১৩ সালে তিনি ভারতবর্ষ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন। অল্প বয়স থেকেই কাব্য রচনার প্রতি তার ঝোঁক ছিল।

তার রচিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে আর্যগাথা (১ম ও ২য় ভাগ) ও মন্দ্র বিখ্যাত। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একঘরে, কল্কি-অবতার, বিরহ, সীতা, তারাবাঈ, দুর্গাদাস, রাণা প্রতাপসিংহ, মেবার পতন, নূরজাহান, সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত, সিংহল-বিজয় ইত্যাদি। দ্বিজেন্দ্রলালের সাহিত্যে তার দেশপ্রেমের পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। পাঠান-মুঘল সম্রাটদের বিরুদ্ধে দেশের ভারতীয় মানুষের স্বাধীনতার লড়াইয়ের মর্মস্পর্শী বিবরণ বারবার তার নাটকে প্রকাশ হয়েছে। ১৯১৩ সালের ১৭ মে কলকাতায় দ্বিজেন্দ্রলালের জীবনাবসান ঘটে। #আমাদের সময় ডেস্ক

advertisement