advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪২ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৩ জুন ২০২২ ১২:৪১ এএম
ফাইল ছবি
advertisement

দেশের বন্যাকবলিত এলাকাসমূহে ডায়রিয়া, সাপের কামড়, পানিতে ডুবা ও আঘাতজনিত নানা কারণে গতকাল বুধবার পর্যন্ত ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুন) বিকালে সারাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সেখানে আরও জানানো হয়, বন্যায় পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্যায় বিভিন্ন রোগে দুই হাজার ৯৩৪ জন আক্রান্ত থাকলেও বুধবার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে তিন হাজার ৪০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ১৭ মে থেকে ২১ জুন

advertisement

পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৫১৬ জন। তবে এখন পর্যন্ত ডায়রিয়ায় কারও মৃত্যু হয়নি। আরটিআই (রেসপারিটরি ট্রাক ইনফেকশন) আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। তবে এ রোগেও কারও মৃত্যু নেই। বজ্রপাতে বজ্রাঘাতের শিকার হয়েছেন ১৩ জন, তাদের মধ্যে ১২ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। সাপের কামড়ে চারজন আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। পানিতে মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের। এ ছাড়া চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৩ জন, চোখের প্রদাহজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৬১ জন, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন ৩৯ জন এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮১ জন।

প্রসঙ্গত, চলতি বছর এ নিয়ে তৃতীয় দফার বন্যার কবলে পড়েছে এসব জেলা। গত ১০০ বছরের মধ্যে এত মারাত্মক বন্যার মুখোমুখি হননি দুর্গত এলাকার মানুষ।

এদিকে সুরমা নদীতীরবর্তী সিলেট নগরী, সদর, বিশ্বনাথ ও কানাইঘাট উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সিলেট নগরীর উঁচু এলাকা থেকে পানি নেমেছে। নদীতীরবর্তী এলাকায় এখনো লাখো মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। বাকি উপজেলাগুলোতেও লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন। ধলাই, পিয়াইন, সারি ও লোভা নদীর পানি কমায় জেলার কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকার পানি কিছুটা কমেছে। তবে পানি কমার গতি খুবই ধীর বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই তিন উপজেলার এখনো ৯০ ভাগ এলাকা প্লাবিত রয়েছে।

 

 

 

advertisement