advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু, ভর্তি ২৭ জন
নিয়ন্ত্রণে যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি

২৩ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২২ ১১:৩৫ পিএম
advertisement

করোনা ভাইরাস আবারও বাড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যে আরেক আতঙ্কের নাম ‘ডেঙ্গু’। এ যেন ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করতে যতটা তৎপরতা, ততটা দেখা যাচ্ছে না ডেঙ্গু দমনের ক্ষেত্রে। বিশেষ করে কর্মকর্তাদের গাফিলতি ও মশককর্মীদের গাছাড়া মনোভাবে রাজধানীজুড়েই বাড়ছে মশার উপদ্রব। তা উদ্বেগজনক।

আমাদের সময়ের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে গত (মঙ্গলবার) ২৪ ঘণ্টায় রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৭ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ১১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১০৬ ও ঢাকার বাইরে চারজন রয়েছেন। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের গাফিলতি ছিল ডেঙ্গুর প্রকোপ এত বেশি হওয়ার আংশিক কারণ। দুর্ভাগ্যের বিষয়, তাদের ওই গাফিলতি এ বছরও দূর হয়নি। তাদের মশানিধন কার্যক্রম যেন ঢিমেতেতালা এক মৌসুমি কাজ। মশার উপদ্রবে নগরবাসীর জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেও তাদের টনক নড়ে না। নগরবাসীর অভিযোগ শুরুর দিকে মশককর্মীরা নিয়মিত ওষুধ ছিটালেও বর্তমানে সেভাবে আর ছিটানো হয় না। ফলে মশার উপদ্রব আবার বেড়েছে।

advertisement

বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলছেন, গত বছর এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এডিস মশা ধ্বংস করতে হবে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান জীবাণুমুক্ত করার পাশাপাশি মশক নিধনের কার্যক্রম যথাসময়ে পদক্ষেপ নিয়ে আরও জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে পাড়া-মহল্লার মানুষ, নাগরিক সমাজকে নিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

advertisement