advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

লুহানস্ক দখলে নিতে শেষ চেষ্টায় রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক
২৪ জুন ২০২২ ১২:২৯ পিএম | আপডেট: ২৪ জুন ২০২২ ০৪:৩৮ পিএম
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। ছবি: সংগৃহীত
advertisement

ইউক্রেনের লুহানস্ক শহর দখলের জন্য শেষ সময়ের লড়াই করছে রুশ সেনারা। পাশাপাশি দনবাসের অন্য এলাকাও দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। ঠিক করা হচ্ছে পরবর্তী লক্ষ্যও। দনবাস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে চলে এলে হয়তো তারা আরও উত্তরে খারকিভের দিকে এগোবেন। কারণ সেখানে হামলা জোরদার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সেখানে রুশ হামলায় অন্তত ২৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় গভর্নর।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রার্থীর মর্যাদা পাওয়ার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভূখণ্ড হারাচ্ছে ইউক্রেন। যেকোনো মুহূর্তে পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসের দ্বিতীয় প্রধান অঞ্চল লুহানস্ক রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা ওলেক্সি অ্যারেস্টোভিচ।

advertisement

ওলেক্সি অ্যারেস্টোভিচ বলেন, দনবাসে ভয়ংকর সব সমরাস্ত্র মোতায়েন করছে রাশিয়া। পুতিনের সৈন্যরা অঞ্চলটি ধ্বংস না করে ছাড়বে না।

তিনি আরও বলেন, লুহানস্কের দোনেতস নদীর তীরবর্তী নগরী সেভেরোদনেৎস্ক ও লিসিচানস্ক দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রুশ সেনারা। যেকোনো সময় এর ফলাফল নির্ধারণ হয়ে যাবে।

রুশ সেনারা এলাকা দুটিতে ধীরে কিন্তু দৃঢ়তার সঙ্গে এগোচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সেভেরোদনেৎস্ক ও লিসিচানস্কের পতন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লুহানস্কের পুরো নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে রাশিয়ার হাতে।

দনবাসের অবস্থাও খারাপ। অধিকাংশ বাড়িতে গ্যাস সরবরাহ নেই, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, অনেকের ঘরে প্রয়োজনীয় খাবারও নেই। সবমিলিয়ে বাসিন্দারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে সংশ্নিষ্ট গভর্নর জানিয়েছেন। তবে পূর্বাঞ্চলীয় এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল রক্ষায় মধ্যাঞ্চলীয় জাফোরিজজিয়ার নারীদের হাতে কালাশনিকভ তুলে দেওয়া হচ্ছে। সম্মুখযুদ্ধে লড়তে তাদের দেওয়া হচ্ছে পুরোদস্তুর প্রশিক্ষণ।

রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে আগামী সপ্তাহে জার্মানিতে অনুষ্ঠেয় জি-৭ সম্মেলনে আলোচনা করার ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন। গতকাল রুশ নিয়ন্ত্রণে থাকা মরিপোলের আজভ সাগরীয় বন্দর থেকে তুরস্কের একটি কার্গো জাহাজ ছেড়ে গেছে। যুদ্ধের কারণে লাখ লাখ টন খাদ্যশস্য ইউক্রেনে আটকে থাকায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপক সংকট দেখা দিয়েছে। এর অবসান ঘটাতে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে তুরস্ক ও রাশিয়া।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ৬ হাজার ৪৮৯ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে বন্দি করা হয়েছে।

advertisement