advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

কাগজের সংকটে শিক্ষার্থীদের নতুন বই পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা
বড় শিল্প ও ধনীদের ওপর ‘সুপার ট্যাক্স’ আরোপ

পাকিস্তানে অর্থনৈতিক সংকট তীব্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৬ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৬ জুন ২০২২ ০৯:২৯ এএম
শাহবাজ শরিফ
advertisement

বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে পাকিস্তান। মার্কিন ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রার মান স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে। এ কারণে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ায় আমদানিপণ্যে টান পড়েছে। এর মধ্যেই সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে- যার প্রভাব পড়তে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন। বলতে গেলে সব পণ্যই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে বা ক্রয় করতে হিমশিম খেতে হবে। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির বড় শিল্প ও ধনীদের ওপর সুপার ট্যাক্স আরোপ করেছে সরকার। খবর ডনের।

খবরে বলা হয়, নতুন নিয়মানুযায়ী বড় শিল্পের ওপর ১০ শতাংশ সুপার ট্যাক্স আর যাদের বার্ষিক আয় ১৫ কোটি রুপির বেশি, তাদের ১-৪ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত কর দিতে হবে। শুক্রবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ওই ভাষণেই তিনি সুপার ট্যাক্স আরোপের কথা বলেন। তিনি দাবি করেন ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে দেশের দরিদ্রদের সহায়তার জন্য রাজস্ব বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পর বাজেট অধিবেশনেও বিষয়টি বিস্তারিত জানান অর্থমন্ত্রী। ভাষণে শাহবাজ শরিফ এই করারোপকে বাজেটের ‘কঠিন’ সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশকে ‘মারাত্মক ঝুঁকি’ থেকে রক্ষায় এই ‘সাহসী’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোট সরকার।

advertisement 3

প্রসঙ্গত, বৃহৎ শিল্পের মধ্যে রয়েছে- সিমেন্ট, ইস্পাত, চিনি, তেল, গ্যাস, সার, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), পোশাক, ব্যাংক, গাড়ি, সিগারেট, কোমল পানীয়, রাসায়নিক ও উড়োজাহাজ। এসব শিল্প ১০ শতাংশ করের আওতায় পড়েছে।

advertisement 4

এদিকে জিও নিউজের খবরে বলা হয়েছে- পাকিস্তানের বিদ্যুৎ সংকট বাড়ছে। এর কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাম আমদানির ক্ষেত্রে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থতাকে দায়ী করা হয়েছে। গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে পাকিস্তান এলএনজি লিমিটেড টানা তিনবারের মতো প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য চুক্তি করতে পারেনি। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে পাকিস্তান সরকার ব্যয় কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি বড় ধরনের কাগজ সংকটে পড়েছে পাকিস্তান। সংকট এতটাই চরমে পৌঁছেছে যে, কাগজ সংকটের কারণে চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের কাছে নতুন বই পৌঁছানো সম্ভব হবে না বলে সতর্ক করেছে পাকিস্তান পেপার অ্যাসোসিয়েশন। অর্থাৎ নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের নতুন বই পাওয়া কার্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে।

 

advertisement