advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

পানিতে ভাসছে চুকাইবাড়ি ইউনিয়ন

দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
২৬ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৬ জুন ২০২২ ১২:১৬ এএম
advertisement

বাড়িঘরে পানি উঠেছে। ঘরের ভেতরে থাকার চৌকিও ডুবে গেছে। রান্না করারও নেই কোনো উপায়। একবার খাবার পেলেও অন্য বেলায় জোটে না কোনো আহার।জীবন বাঁচানোর তাগিদে এসে ওঠেছে রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ে। গবাদি পশু আর মানুষে থাকতে হচ্ছে গাদাগাদি করে। খুব কষ্টে রয়েছেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চুকাইবাড়ি ইউনিয়নে গুজিমারী গুচ্ছ গ্রামের শতাধিক পরিবার।

প্রতিবছর বন্যায় চুকাইবাড়ি ইউনিয়নের অন্যান্য গ্রামের পাশাপাশি ওই গ্রামেরও একই অবস্থা। পশ্চিমের যমুনা নদীতে বেড়িবাঁধ না থাকায় বর্ষার শুরুতে গ্রামটিতে পানি উঠে একাকার হয়ে যায়। টানা তিন মাস গ্রামবাসীদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে হয়। বেড়িবাঁধ না থাকায় উপজেলার চুকাইবাড়ি ও চিকাজানী ইউনিয়নের চিত্র পাল্টে যায় বন্যায়।

advertisement 3

অল্প বন্যাতে ঘরের ভেতর থইথই পানি। ডুবে যায় টয়লেট, টিউবওয়েল, রান্নার চুলা এমন কি থাকার চৌকিও। এ কারণে অন্যত্র উঁচু স্থানে পাড়ি জমাতে হয় তাদের। আবার কেউবা ঘরের ভেতরে টং পেতে থাকেন। মানবেতর জীবনযাপন তাদের।

advertisement 4

উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর সূত্র জানান, এবারের বন্যায় চুকাইবাড়ি ইউনিয়ন অধিকাংশই পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি মানুষের জন্য সরকারি একেএম কলেজ, রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়, রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ৩০০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।

ইউএনও কামরুনাহার শেফা জানান, বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহিত রয়েছে। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী রয়েছে। এ ছাড়াও বন্যার জন্য আলাদা কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বন্যা মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন সর্বদা তৎপর।

advertisement