advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

দুর্ভোগ লাঘবে সরকারের পরিকল্পনা নেই

খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ জুন ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৮ জুন ২০২২ ১১:২০ পিএম
advertisement

বানভাসিদের দুর্ভোগ লাঘবে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক গোলটেবিল আলোচনায় সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি এই অভিযোগ করেন। সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ রিসার্চ

advertisement 3

সেন্টারের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পানি বণ্টনের ইস্যু’ শীর্ষক এই গোলটেবিল আলোচনা হয়। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন মোস্তফা কামাল মজুমদার।

advertisement 4

বন্যার্ত মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, সিলেট অঞ্চলের প্রলয়ঙ্করী বন্যা মোকাবিলায় যেভাবে এগিয়ে আসার কথা, পরিকল্পনা থাকার কথা- সরকারের তা ছিল না। তারা অন্য কাজে ব্যস্ত ছিল। এই সরকারের কাছে জনগণের দুঃখ প্রাধান্য পায় না, পায় ব্যক্তিস্বার্থ ও গোষ্ঠীস্বার্থ। বাংলাদেশের নদনদীর পানিপ্রবাহের প্রসঙ্গ টেনে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, এই বর্ষাকালে সব গেট ভারত খুলে দিয়েছে। যখন আমাদের পানির প্রয়োজন নেই, তখন আমাদের ভাসিয়ে দিচ্ছে। যখন আমাদের পানি প্রয়োজন, আমার জীবিকা, জীবন রক্ষার জন্য পানি প্রয়োজন- তখন আটকে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশকে মরুকরণ করে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, যে যুমনা নদীর জন্য ব্রিজ হলো, এখন যারা শুষ্ক মৌসুমে ব্রিজের ওপর দিয়ে যান তারা দেখবেন নিচ দিয়ে গরুর গাড়ি যাচ্ছে- এই হচ্ছে অবস্থা। কেন? বাঁধগুলোর কারণে। আমাদের নদীর তলদেশ গভীরতা হারাচ্ছে এবং বেসিনের গভীরতা হারাচ্ছে। এবার ১২২ বছরেও এ রকম বন্যা বাংলাদেশে হয়নি। কেন হচ্ছে- এই বাঁধের জন্য হচ্ছে। পানি ব্যবস্থাপনার একতরফা যে সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে যে নতজানু নীতি, সে জন্য আজকে এটা করা সম্ভব হচ্ছে।

এই অবস্থা থেকে উত্তরণে জনগণকে সচেতন করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন খন্দকার মোশাররফ। তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি এক দশকেও না করতে পারায় সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করেন তিনি।

সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে গোলটেবিল আলোচনায় জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা ড. এসআই খান, পানি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী এম ইনামূল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

#

advertisement