advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

হজের ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ জুলাই ২০২২ ১২:১৯ পিএম | আপডেট: ৬ জুলাই ২০২২ ১২:৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
advertisement

আগামী ৮ জুলাই বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান কাবার বাইতুল্লাহ শরীফে পবিত্র হজ পালন শুরু করবেন। হজ পালনে তিনটি কাজ করা ফরজ। যা না করলে হজ কবুল হবে না এবং যার কোনো কাফফারাও নেই। হজের তিন ফরজের কোনটি বাদ পড়লে পরবর্তী বছর তাকে আবার হজ করতে হবে। চলুন জেনে নেxয়া যাক হজের ফরজ ও ওয়াজিবসমূহ। 

হজের ৩ ফরজ

  • ইহরাম বাঁধা: ইহরাম বাঁধা অর্থাৎ হজের নিয়তে মিকাত (নির্দিষ্ট স্থান) থেকে সেলাইবিহীন দুই টুকরো কাপড় পরা।
  • আরাফাতের ময়দানে সমবেত হওয়া: হাদিসের পরিভাষায় ‘আলহাজ্জু আরাফাহ’ আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হওয়াই হজ। জিলহজের ৯ তারিখে সূর্যাস্তের আগের এক মুহূর্তের জন্য হলেও আরাফার ময়দানে অবস্থান করা। সূর্যাস্তের পর আরাফার ময়দান ত্যাগ করা।
  • তাওয়াফে জিয়ারাহ করা: ১০ জিলহজ কোরবানি ও মাথা মুণ্ডনের পর থেকে ১২ই জিলহজ সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত যেকোনো সময়ে পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করা।
advertisement

হজের ওয়াজিব

  • মিকাতে ইহরাম বাঁধা: হজের উদ্দেশ্যে মিকাত (ইহরামের নির্দিষ্ট স্থান) ত্যাগ করার আগেই ইহরাম বাঁধা।
  • আরাফায় সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান: সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতেরর ময়দানে অবস্থান (ওকুফ) করা।
  • কোরবানি করা: ক্বিরান বা তামাত্তু হজ আদায়কারীর জন্য কোরবানি আদায় করা এবং তা কংকর নিক্ষেপ ও মাথা মুণ্ডন করার মর্ধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে সম্পাদন করা।
  • সায়ী করা: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সায়ী করা। সাফা পাহাড় থেকে সায়ী শুরু করা।
  • মুযদালিফায় অবস্থান (ওকুফ) করা।
  • তাওয়াফে জিয়ারাত আইয়্যামে নহরের (দিনের বেলায়) মধ্যে সম্পাদন করা।
  • জামরায় শয়তানকে কংকর নিক্ষেপ করা।
  • মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা। তবে মাথা মুণ্ডনের আগে কংকর নিক্ষেপ করা।
  • মিকাতের বাইরের লোকদের জন্য তাওয়াফে সদর বা বিদায়ী তাওয়াফ করা।

তবে উপরোক্ত ওয়াজিব কাজগুলোর মধ্যে কোনো একটি ছুটে গেলেও হজ আদায় হয়ে যাবে। তবে এর কাফফারা স্বরূপ কোরবানি দিতে হবে।

 

advertisement