advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বঙ্গবন্ধুর সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে বঙ্গমাতার উৎসর্গিত মহৎ জীবনের অবদান

ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান
৮ আগস্ট ২০২২ ১২:০১ পিএম | আপডেট: ৮ আগস্ট ২০২২ ০১:১১ পিএম
advertisement

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বাংলাদেশের প্রথম ফার্স্ট লেডি, বাংলাদেশের জাতির পিতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সহধর্মিণী। বঙ্গবন্ধুর জীবনে বঙ্গমাতা অবিচ্ছেদ্য অংশ। শুধু বঙ্গবন্ধুর জীবনে নয়, বাংলাদেশের ইতিহাসেও তিনি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনে যত সাফল্য রয়েছে, এর নেপথ্যের প্রধান শক্তি হলো বঙ্গবন্ধুর উৎসর্গিত আত্মত্যাগের মহৎ জীবনের অবদান। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গমাতার অবদানও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে সবসময় সমর্থন দিয়েছেন, নিঃস্বার্থভাবে সহযোগিতা করেছেন, দেশের সংকটের সময় মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন।

জাতিসংঘে ইউনেস্কোর প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণেও রয়েছে বঙ্গমাতার বিরাট অবদান। বঙ্গবন্ধুর ওই ভাষণ দেওয়ার আগে বঙ্গবন্ধুকে তিনি বলেছিলেন, ‘আপনার যা মনে আসবে, মন থেকে যা বলতে ইচ্ছা করে, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যা ভালো মনে করবেন; তা-ই বলবেন।’ বঙ্গবন্ধু সেটিই করেছিলেন। আর এতেই বাংলার জনগণসহ বিশ্ববাসী শুনতে পেল লাখো জনতাকে মন্ত্রমুগ্ধে উদ্বুদ্ধ করার পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণ। ওই ভাষণের পর পরই মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল এবং যার পরিণতিতে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। এই তো আমাদের বঙ্গমাতা।

advertisement 3

আজ ৮ আগস্ট ২০২২। দেশপ্রেমিক, সাহসী, দূরদর্শী, মহীয়সী নারী, একজন পরিপূর্ণ সফল মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩০ সালের এই দিনে তিনি গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকীতে জানাই তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

advertisement 4

বঙ্গমাতার ডাক নাম রেণু। তার পিতা হলেন- শেখ জহিরুল হক ও মাতা হোসনে আরা বেগম। মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই বঙ্গমাতা তার মাতা-পিতাকে হারান। মা-বাবাকে হারানো রেণু বঙ্গবন্ধুর বাবা শেখ লুৎফর রহমান ও বঙ্গবন্ধুর মাতা সায়েরা খাতুনের আদরে বেড়ে ওঠেন। বঙ্গমাতার বাবা মারা যাওয়ার পরই উভয় পরিবারের বড় সদস্যরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করেন। বঙ্গবন্ধুর ভাষায়- তাদের বিয়ের ফুলশয্যা হয়েছিল ১৯৪২ সালে। ব্যক্তিজীবনে বঙ্গমাতা দুই মেয়ে ও তিন পুত্রসন্তানের রত্নগর্ভা সার্থক জননী। তার সন্তানরা হলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সফল ক্রীড়াবিদ এবং বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী শেখ কামাল, শেখ জামাল ও ছোট মায়াবী শিশু শেখ রাসেল।

সরাসরি রাজনীতি না করলেও রাজনীতিতে বঙ্গমাতার অবিস্মরণীয় অবদান রয়েছে। দেশ স্বাধীনের দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যবাহী সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগের সম্মেলন সফল করার জন্য নিজের গহনা পর্যন্ত বিক্রি করে অর্থের জোগান দিয়েছেন। এর মাধ্যমেই অনুধাবন করা যায়- রাজনীতিতে বঙ্গমাতার অবদান কতটা বিশাল ও রাজনীতির প্রতি তার ভালোবাসা কতটা গভীর। রাজনীতিতে তার অবদানের কথা স্মরণ করতে গিয়ে আওয়ামী লীগের বরেণ্য নেতা মরহুম আবদুর রাজ্জাক জানিয়েছিলেন, আওয়ামী লীগের অফিসের ভাড়া ও তার অর্থাৎ আবদুর রাজ্জাকের বাসার ভাড়া দেওয়ার সামর্থ্য না থাকায় বঙ্গমাতা অফিসের ভাড়া এবং আবদুর রাজ্জাকের বাসাভাড়ার টাকা পর্যন্ত দিয়েছেন।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে যেমন বঙ্গমাতার অবদান রয়েছে, একইভাবে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সময় তার অবদানকে অবশ্যই উল্লেখ করতে হয়। বঙ্গবন্ধু তখন জেলে বন্দি। আগরতলা ষড়যন্ত্র কেন্দ্র করে রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তান সরকার পরিস্থিতি অনুধাবন করে বঙ্গবন্ধুকে প্যারোলে মুক্তি দিয়ে লাহোরে গোলটেবিল বৈঠকে আমন্ত্রণ জানায়। বঙ্গমাতা তখন কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করে প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে আপত্তি জানান। কারণ প্যারোলে মুক্তি একদিকে যেমন অসম্মানজনক, অন্যদিকে তেমনি ওই সময় গড়ে ওঠা গণআন্দোলন ব্যর্থ হতে পারে। তার পরামর্শ অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধু প্যারোলে মুক্তি মেনে নেননি। অবশেষে গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রয়ারি বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তান সরকার মুক্তি দিতে বাধ্য হয় এবং পরের দিন ২৩ ফেব্রুয়ারি বাঙালি তাদের প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন। ওই সময়ের ছাত্রলীগ সভাপতি ও জননেতা তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে সর্বপ্রথম ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন। বঙ্গমাতা এভাবে বঙ্গবন্ধুকে পরামর্শ ও আন্দোলন-সংগ্রামে সমর্থন দিয়েছেন বলেই স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধুর আন্দোলন-সংগ্রাম সফল এবং সার্থক হয়েছে।

জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বঙ্গমাতা আজীবন ত্যাগী মানসিকতা নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে যে সহযোগিতা করেছেন, সমর্থন দিয়েছেন- সেটিই মহান মুক্তিযুদ্ধসহ স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় অনন্যসাধারণ ভূমিকা রেখেছে। ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও ওই সময়ের দুর্ভিক্ষের সময় তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের প্রচারসহ সার্বিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্নভাবে যুক্ত ছিলেন। ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলনের পক্ষে জনমত গঠনে রাস্তায় লিফলেট পর্যন্ত বিতরণ করেছেন। বাঙালির মুক্তির আন্দোলন-সংগ্রামে এভাবেই রয়েছে তার অবদান। বঙ্গমাতা সম্পর্কে তার জ্যেষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লিখেছেন, বঙ্গবন্ধু জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়গুলো কারান্তরালে কাটিয়েছেন বছরের পর বছর। তার অবর্তমানে মামলা পরিচালনার ব্যবস্থা করা, দলকে সংগঠিত করা, আন্দোলন পরিচালনা করা- প্রতিটি কাজে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন বেগম মুজিব। তিনি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের বলিষ্ঠ সংগঠক ছিলেন নেপথ্যে থেকে। তার (বঙ্গমাতার) স্মরণশক্তি অত্যন্ত প্রখর ছিল। আন্দোলন চলাকালে প্রতিটি ঘটনা জেলখানায় সাক্ষাৎকারের সময় বঙ্গবন্ধুকে জানাতেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশ নিয়ে আসতেন। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে ওই নির্দেশ জানাতেন। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার চোখ বাঁচিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতেন। আবার আওয়ামী লীগের কার্যকরী সংসদের সভা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে চলাকালে নিজের হাতে রান্নাবান্না ও খাদ্য পরিবেশন করতেন। তিনি এ সংগঠনের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করতেন।

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত করার কাজে তার অবদান অপরিসীম। শুধু কি তা-ই, বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের পিতামহ শেখ মোহাম্মদ কাশেম তার সব সম্পত্তি বেগম মুজিব ও তার আরেক বোনকে দান করে গিয়েছিলেন। দাদার দিয়ে যাওয়া সম্পত্তি থেকে যে অর্থ আসত, তা তিনি জমিয়ে রাখতেন। নিজের সাধ-আহ্লাদ পূরণে তা খরচ না করে স্বামীর হাতে তুলে দিতেন। রাজনীতি করতে যে টাকার প্রয়োজন হয়, তা তিনি বুঝতেন এবং স্বামীর পথচলা সহজ করতেই ছিল তার এই প্রয়াস। এ থেকেই আমরা বুঝতে পারি বঙ্গমাতার উদারতা, মহানুভবতা এবং রাজনীতি ও দেশের প্রতি ভালোবাসা কতটা বিশাল।

রাজনৈতিক সচেতন, বাংলাদেশে নারী জাগরণসহ নারীর ক্ষমতায়নের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা বঙ্গমাতার জীবন নতুন প্রজন্মের জন্য এক মহৎ অনুসরণীয় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। নতুন প্রজন্ম বঙ্গমাতার সংগ্রামী জীবন থেকে আত্মত্যাগ, সাহসিকতা, দেশপ্রেমসহ অনেক কিছুই শিখতে ও জানতে পারবে। তিনি ছিলেন নিরহঙ্কার, আন্তরিক, অমায়িক, অতিথিপরায়ণ, রাজনৈতিক কর্মীবান্ধব, সর্বোপরি মমতাময়ী সফল মা। মহান মুক্তিযুদ্ধেও রয়েছে তার বিরাট অবদান। কারণ দেশের স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তিনিও একই স্বপ্ন দেখতেন। পুরো বাঙালিকে বঙ্গবন্ধুর মতো তিনিও নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসতেন। তাই নিজের সংসার যেমন সফলভাবে সামাল দিয়েছেন, একইভাবে বঙ্গবন্ধুর আন্দোলন-সংগ্রামে সার্বক্ষণিক সহায়তা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর কাছে গৃহবন্দি থেকেও পাকিস্তানে কারাবন্দি বঙ্গবন্ধু যখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন, তখনো তিনি ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করেছেন। তাই তাকে নতুন প্রজন্ম যত জানবে, ততই নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা আরও দৃঢ় হবে। আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ে বঙ্গমাতা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর যোগ্য, বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা। দেশ ও জাতি গঠনে তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর লাঞ্ছিত মা-বোনদের সহযোগিতা, চিকিৎসার ব্যবস্থা, তাদের সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠা করতে কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন তিনি।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব নীরবে-নিভৃতে উৎসর্গিত এক মহৎ জীবনের নাম। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এক সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমার স্ত্রীর মতো সাহসী মেয়ে খুব কমই দেখা যায়। আমাকে যখন পিন্ডির ফৌজ বা পুলিশ এসে জেলে নিয়ে যায়, আমার ওপর নানা অত্যাচার করে, আমি কবে ছাড়া পাব বা কবে ফিরে আসব ঠিক থাকে না- তখন কিন্তু সে কখনো ভেঙে পড়েনি। আমার জীবনের দুটি অবলম্বন। প্রথমটি হলো আত্মবিশ্বাস, দ্বিতীয়টি হলো আমার স্ত্রী আকৈশোর গৃহিণী।’ কিশোর বয়স থেকেই বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতার কাছে থেকে প্রেরণা পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর সবকিছুতে সমর্থন, সহযোগিতা পেয়েছেন বলেই বঙ্গমাতা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধু এমনটি বলেছেন। এ থেকেই বোঝা যায়, বঙ্গমাতা কত বড়মাপের ব্যক্তি ছিলেন। স্বামী-সন্তান, সংসার, রাজনীতি, আন্দোলন-সংগ্রাম- সবকিছুই তিনি সফল ও সমানভাবে সামাল দিয়েছেন।

পরিশেষে বলব, বঙ্গবন্ধুর মতো বঙ্গমাতাও আমাদের রক্তঋণে আবদ্ধ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সঙ্গে আমরা বঙ্গমাতাকেও হারিয়েছি। যে মাতা তার পুরো জীবন একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সংসারের সব দায়িত্ব নিজে কাঁধে তুলে নিয়েছেন, স্বামী জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মতো একটি সুবৃহৎ রাজনৈতিক দলকে বহু সংকটের হাত থেকে রক্ষা করে দল পরিচালনা করেছেন, সহযোগী সংগঠনের প্রতিও নজর রেখেছেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশকে পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধুকে সারাক্ষণ প্রেরণা জুগিয়েছেন- আমরা সেই বঙ্গমাতাকেও রক্ষা করতে পারিনি। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর পরিবারের অন্য সদস্যদের মতো তাকেও বাঁচতে দেয়নি। এ যে কত কষ্টের, কতটা শোকের- তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। বঙ্গমাতার রক্তের ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারব না। তবে আমরা যদি দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সুখী, সমৃদ্ধ, শোষণহীন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ তথা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করতে পারি- তা হলে সেটিই হবে বঙ্গমাতার জন্মদিনে তার স্মৃতির প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা জানানো। বঙ্গমাতার জন্মদিনে আবারও তার স্মৃতির প্রতি রইল অফুরন্ত ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধা।

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান : অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ এবং কোষাধ্যক্ষ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়

advertisement