advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বালিয়াডাঙ্গিতে ৭৫০ টাকার সার কিনতে হচ্ছে ১৭০০ টাকায়

বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি
১৪ আগস্ট ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২২ ১২:৪৩ এএম
advertisement

ভরা আমন মৌসুমে সার সংকটে পড়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাষিরা। ডিলারদের গুদামে নেই সার। বিক্রি হচ্ছে অতি গোপনে। ৭৫০ টাকার (পটাশ সার) কিনতে হচ্ছে ১৭০০ টাকায়, বস্তাপ্রতি ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দামে (মূল্য রশিদ ছাড়া) কিনতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা সদরসহ ৮টি ইউনিয়নে বিসিআইসি ৮ ও বিএডিসির ২৫ লাইসেন্সপ্রাপ্ত মোট ৩৩ জন ডিলার রয়েছেন। তাদের অধিকাংশ ডিলারের নেই কোনো নিজস্ব কিংবা ভাড়া করা গুদাম বা দোকান। কয়েক সুবিধাবাদী বিসিআইসি ও বিএডিসি ডিলার তাদের লাইসেন্স বার্ষিক চুক্তিতে সাধারণ সার ও বীজ ব্যবসায়ীদের দিয়ে রেখেছে যুগের পর যুগ। বর্তমান সারের দাম নিয়ন্ত্রণ আর এসবের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

advertisement

উপজেলার বড়বাড়ী রূপগঞ্জ গ্রামের কৃষক আবু সুফিয়ান, আইনুল হক, ও তিলকড়া গ্রামের কৃষক তহিরুল হকের ভাষ্যÑ সারের কৃত্রিম সংকট আর মূল্যবৃদ্ধি। অস্থিতিশীল বাজারব্যবস্থা। বিসিআইসি ও বিএডিসির লাইসেন্সধারী সার ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে সারের দাম ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

advertisement 4

ফলে ভরা আমন মৌসুমে কৃষকরা দিশহারা হয়ে পড়েছেন। যার ফলে তাদের মতো হাজারও প্রান্তিক চাষির সার কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বিএডিসি (সার) অধিদপ্তরের ঠাকুরগাঁও সহকারী পরিচালক আ. আহাদ জানান, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৩৩ ডিলারের গত ১০ দিনের মোট সার বরাদ্দ টিএসপি-১৫৮, এমওপি-২৯৪ ও ডিএপি-১০৪ টন। সে তুলনায় সার সংকট হওয়ার কথা নয়।

এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র রায় বলেন, যে সব অসাধু সুবিধাবাদী সার ব্যবসায়ী সারের কৃত্রিম সংকট আর মূল্য বৃদ্ধি করে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন, তাদের মধ্যে কয়েক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হায়েছে।

advertisement