advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

চেকপোস্টে ইয়াবা না পেয়ে প্রবাসীকে নির্যাতন

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:০৭ পিএম | আপডেট: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:০৭ পিএম
নির্যাতিত প্রবাসী আব্দুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত
advertisement

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শামলাপুর শীলখালী চেকপোস্টে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের নির্যাতনে আব্দুল্লাহ (৩৫) নামে এক প্রবাসী গুরুতর আহত হয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে টেকনাফ উপজেলার শামলাপুর শীলখালী বিজিবি চেকপোস্টে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত দেড়টার দিকে আহত আব্দুল্লাহকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

advertisement 3

চেকপোস্টে ইয়াবা না পেয়ে বিজিবি সদস্যরা আব্দুল্লাহকে আটকিয়ে নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আহতের পরিবার। বিজিবি সদস্যদের হাতে মারধরের শিকার প্রবাসী আব্দুল্লাহ টেকনাফ পৌরসভার কায়ুখখালী পাড়ার বাসিন্দা।

advertisement 4

আব্দুল্লাহ জানান, কিছুদিন আগে মায়ের মৃত্যুর সংবাদ শুনে মালয়েশিয়া থেকে দেশে এসেছেন তিনি। তার দুই স্ত্রী রয়েছেন। প্রথম স্ত্রী টেকনাফ ও দ্বিতীয় স্ত্রী কুমিল্লায় থাকেন। গতকাল মায়ের কবর জিয়ারত করতে কুমিল্লা থেকে টেকনাফে এসেছিলেন আব্দুল্লাহ। কবর জিয়ারত শেষে সন্ধ্যায় টেকনাফ থেকে বাসে করে কক্সবাজার ফেরার পথে বিজিবি চেকপোস্টে পৌঁছালে সদস্যরা তার দেহ তল্লাশি করে। কিছু না পেয়ে একটি গোপন কক্ষে নিয়ে উলঙ্গ করে ফের তল্লাশি করে।

তিনি আরও বলেন, ‘এ সময় বিজিবির সদস্যরা আমার কাছে কিছু না পেয়ে আমাকে থাপ্পর মারে। আমার কাছে কিছু নেই বললেও লাঠি দিয়ে তারা বেধড়ক মারধর করতে থাকে। পরে বিজিবির সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে ইয়াবা আছে বলে আবারও মারধর করেন। পরে মুমূর্ষ অবস্থায় কক্সবাজার বাস টার্মিনালে আব্দুল্লাহকে রেখে যায় বিজিবি সদস্যরা।

কক্সবাজার টার্মিনালে আব্দুল্লাহকে মুমূর্ষ অবস্থাতে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় শামসুল আলম শ্রাবণ। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি।

শ্রাবণ বলেন, ‘উদ্ধারপর আহত আব্দুল্লাহ জানান বিজিবি চেকপোস্ট ইয়াবা না পেয়ে তাকে মারধর করেছে। পরে আমি তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসি।’

বিজিবির টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ বলেন, ‘চেকপোস্টে একটি ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে আমরা ইতোমধ্য তিন সদস্যকে প্রত্যাহার করেছি। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

advertisement