advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

প্রবাসীদের চাকরি পরিবর্তনের সুযোগ দিলো সৌদি আরব

খলিল চৌধুরী,সৌদি আরব
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:৪৯ পিএম | আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:০৫ পিএম
প্রতীকী ছবি
advertisement

প্রবাসী কর্মীদের চাকরি পরিবর্তনের সংশোধিত পদ্ধতির দ্বিতীয় ধাপ শুরু করেছে সৌদি আরবের মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেট এ তথ্য জানিয়েছে।

চাকরি পরিবর্তনের সংশোধিত পদ্ধতির দ্বিতীয় ধাপে এখন থেকে দেশটির বেসরকারি খাতের যেকোনো প্রতিষ্ঠানে প্রবাসী কর্মীরা তাদের চাকরি পরিবর্তন করতে পারবেন। এর আগে প্রথম ধাপে শুধু পৃথক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শ্রমিক পরিবর্তনের অনুমতি ছিলো।

advertisement 3

প্রবাসী কর্মীরা যাতে করে খুব সহজেই এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানকে কাজে করার সুযোগ পায় এ জন্য মন্ত্রণালয় ‘কিওয়া’ নামের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটিতে বেশ কিছু সংস্করণ এসেছে। শ্রম বাজার কৌশলের উদ্দেশ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মন্ত্রণালয়ের নীতি ও পরিষেবাগুলির বিকাশ, কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও শ্রম অধিকারের মতো বিষয়গুলি সমন্বয় করা হয়েছে।

advertisement 4

নতুন গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এক প্রতিষ্ঠান থেকে আরেক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার জন্য সময় নির্ধারিত সরকারি ফি শ্রমিকদের আগের নিয়োগকর্তাকে বহন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হালনাগাদ ব্যবস্থার অধীনে যেদিন থেকে নতুন প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকরা কাজ শুরু করবে সেদিন থেকে সেই প্রতিষ্ঠানের নিয়োগকর্তা এ সংশ্লিষ্ট সরকারি ফি বহন করবে।

এক বছর অপেক্ষা না করেই চাকরি বদলাতে পারবেন সৌদি প্রবাসীরা। দেশটির সরকার জানিয়েছে, নতুন এই ব্যবস্থাটি বর্তমান নিয়োগকর্তার ওপর অবৈতনিক অর্থ জমা রাখার বিষয়টি বন্ধ করতে ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে নতুন নিয়োগকর্তার ওপর আগের সময়ের বকেয়া বোঝা চাপবে না।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন সিদ্ধান্তগুলো কর্মীদের কর্মজীবনের উন্নতি আনবে। দেশটিতে আকর্ষণীয় শ্রম বাজার তৈরি করতে এবং প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে চাকরি স্থানান্তর পদ্ধতিকে আরও সহজ করবে।

মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান থেকে কর্মী পরিষেবার পরিবর্তন চাইছেন, তাকে সরকারি খরচ বহন করতে হবে। যার মধ্যে রয়েছে ওয়ার্ক পারমিট ফি, প্রবাসী ফি (আর্থিক ক্ষতিপূরণ) এবং রেসিডেন্সি পারমিট (ইকামা) নবায়নের বিলম্বের জন্য জরিমানা ইত্যাদি।

‘কিওয়া’ প্লাটফর্মটি শ্রমিকদের আগের নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে এসব ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর শুরু করেছে। এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগগুলিকে অপ্রত্যাশিত আর্থিক বাধ্যবাধকতা ছাড়াই তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে সক্ষম করে তোলা।

উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রী একটি সংশোধনী অনুমোদন করেছিলেন, যেখানে প্রবাসীদের এক বছর অপেক্ষা না করে অন্য নিয়োগকর্তার কাছে তাদের চাকরি স্থানান্তর করার অনুমতি দেবে। আগের শ্রম আইনে প্রবাসী কর্মীদের চাকরি পরিবর্তনের জন্য সৌদি আরবে আসার পরে নির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী পূরণ করতে হতো।

advertisement