advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

আবু হেনা মোস্তফা কামালের মৃত্যু

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:২৯ পিএম
advertisement

বাংলাদেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, কবি ও লেখক আবু হেনা মোস্তফা কামালের মৃত্যুদিবস আজ। ১৯৮৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। আবু হেনা মোস্তফা কামাল ১৯৩৬ সালের ১৩ মার্চ তৎকালীন পাবনা জেলা বর্তমানে সিরাজগঞ্জ নাগরৌহা গ্রামে জন্মগ্রহণ

advertisement 3

করেন। লেখক হিসেবে তিনি আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৫), সুহৃদ সাহিত্য স্বর্ণপদক (১৯৮৬), একুশে পদক (১৯৮৭), আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ স্বর্ণপদক (১৯৮৯), সাদত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯১) অর্জন করেন।

advertisement 4

আবু হেনা মোস্তফা কামাল ১৯৫২ সালে পাবনা জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক ও ১৯৫৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। ম্যাট্রিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে ত্রয়োদশ স্থান এবং আইএ পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে সপ্তম স্থান অধিকার করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৮ সালে বাংলায় বিএ অনার্স এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ সালে বাংলায় এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। তিনি লন্ডন থেকে কমনওয়েলথ শিক্ষাবৃত্তিসহ বেঙ্গলি প্রেস অ্যান্ড লিটারারি রাইটিং-১৮১৮-১৮৩১ শীর্ষক অভিসন্দর্ভ রচনা করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

‘তুমি যে আমার কবিতা’, ‘অনেক বৃষ্টি ঝরে’, ‘নদীর মাঝি বলে’, ‘অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা’, ‘এই বাংলার হিজল তমালে’র মতো অনন্য গান সৃষ্টি করেছেন আবু হেনা মোস্তফা কামাল। তার লেখা কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘আপন যৌবন বৈরী (১৯৭৪)’, ‘যেহেতু জন্মান্ধ (১৯৮৪)’, ‘আক্রান্ত গজল (১৯৮৮)’ উল্লেখযোগ্য। প্রবন্ধ-গবেষণা গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘শিল্পীর রূপান্তর (১৯৭৫)’, ‘দি বেঙ্গলি প্রেস অ্যান্ড লিটারারি রাইটিং (১৯৭৭)’, ‘কথা ও কবিতা (১৯৮১)’ ইত্যাদি।

advertisement