advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে উদ্বোধন মেট্রোরেলের

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ নভেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ২৩ নভেম্বর ২০২২ ১১:৩৮ পিএম
advertisement

দেশের প্রথম মেট্রোরেল আগামী মাসের শেষ সপ্তাহে উদ্বোধন করা হবে। এ বিষয়ে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন ছিদ্দিক বলেন, ‘আমরা ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে মেট্রোরেল উদ্বোধন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে প্রকল্পের সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সময় বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলেছে।’ গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে মেট্রোরেলের (এমআরটি লাইন-১) ডিপো এলাকার ভূমি উন্নয়নবিষয়ক এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

advertisement

শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। প্রথমে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলবে এ মেট্রোরেল।

advertisement 4

গত সেপ্টেম্বরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, আগামী ডিসেম্বরে বিজয়ের মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ এমআরটি লাইন-৬ এর উদ্বোধন করবেন।

কেন এ অংশটি ১৬ ডিসেম্বর চালু করা যাবে না জিজ্ঞেস করা হলে মেট্রোরেলের এমডি এমএএন ছিদ্দিক বলেন, ডিসেম্বর মাসে অনেক কর্মসূচি থাকে। এ জন্য এটা ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে করা হবে।

মেট্রোরেলের (এমআরটি লাইন-৬) প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ভাড়া হবে ১০০ টাকা। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাড়া মওকুফ থাকবে।

ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও জানান, আগামী বছর জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ বা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে এমআরটি লাইন-১ এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর পাতাল রেলপথের কাজ শুরু হয়ে যাবে। আপনারা জানেন, ১২টি প্যাকেজের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা হবে। প্রতিটি প্যাকেজের বিভিন্ন অংশে কাজ করছি আমরা। আর কিছুদিন পর বলতে পারব, কবে টিভিএম মেশিনের মাধ্যমে আন্ডারগ্রাউন্ডের কাজ শুরু করতে পারব।’

ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘আমাদের কয়েকটি জায়গায় ৩০ মিটার আবার কয়েকটি জায়গায় ৭০ মিটার নিচ দিয়ে পাতাল রেলপথ বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর যাবে। নিচ দিয়ে যখন টিভিএম মেশিন মাটি কেটে কেটে কাজ করে এগিয়ে যাবে, তখন ওপর থেকে কোনোভাবেই বোঝা যাবে না নিচে কাজ চলছে। কিন্তু এ পথে ১২টি স্টেশন আছে, যেগুলো ওপেন কাট পদ্ধতিতে কাজ করতে হবে। এ ১২টি স্টেশন ওপেন কাট পদ্ধতিতে কাজ শেষ করে নিচে চলে যাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাস সময় লাগবে। এ ছয় মাস সময়ও রাস্তার অর্ধেকটা অংশ পুরোপুরি চালু থাকবে। বাকি অংশে আমরা কাজ করব এবং পরে আবার সেই অংশ ভরাট করে দেওয়া হবে। যেখানে আমাদের স্টেশন আছে সেখানে সর্বোচ্চ ছয় মাস ট্রাফিক ডাইভারশন করতে হতে পারে। তবে অন্য কোনো জায়গায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের প্রয়োজন হবে না।’

এমএএন ছিদ্দিক বলেন, ‘আমরা অন্তত ৩০ মিটার নিচ দিয়ে কাজ করব। বাংলাদেশের কোনো ইউটিলিটি লাইন এত নিচ দিয়ে নেই। যার ফলে পুরো রুট অ্যালাইনমেন্টে আমাদের কোনো ইউটিলিটি লাইন সরানোর প্রয়োজন পড়বে না। শুধু স্টেশন এলাকায় এটি প্রয়োজন পড়বে। সেখানে আমরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করব এবং সে এলাকায় যে ইউটিলিটি লাইনগুলো যেভাবে আছে ঠিক সেভাবে রেখে আমরা নিচে চলে যাব।’

advertisement