advertisement
advertisement
advertisement
advertisement

বরিশালে বিড়ি মালিক-শ্রমিকদের কাস্টমস অফিস ঘেরাও

বরিশাল ব্যুরো
২৪ নভেম্বর ২০২২ ০৭:৪৭ পিএম | আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২২ ০৭:৪৮ পিএম
ঘেরাও কর্মসূচি। ছবি: সংগৃহীত
advertisement

রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া নকল বিড়ি বিক্রি বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন ও কাস্টমস অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে বরিশাল জেলা বিড়ি মালিক সমিতি ও বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন। আজ বৃহস্পতিবার বরিশাল কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধন শেষে বরিশাল কাস্টমস অফিসের উপকমিশনার মোহাম্মদ জাকারিয়া বরাবর ৬ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

advertisement

তাদের দাবিগুলো হলো রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া সকল বিড়ি বন্ধ করা, যাচাই-বাছাই ব্যতিরেকে (অনলাইন) লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ করা, বিড়িতে শুল্ক কমিয়ে শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি, সিগারেটের ন্যায় বিড়িতেও অগ্রিম আয়কর ৩ শতাংশ করা, বিড়ি শিল্প ও শ্রমিকদের টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি এবং তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের ব্যবসায়ী ও দোকানীদের লাইসেন্সের আওতায় না এনে শুধুমাত্র পরিবেশক-ডিলারদের লাইসেন্সের আওতায় আনা।

advertisement 4

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সমাজের অসংখ্য সুবিধা বঞ্চিত মানুষ বিড়ি কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। তবে কতিপয় অসাধু বিড়ি ব্যবসায়ী বিড়ি শিল্প ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে নকল ব্যান্ডরোল লাগিয়ে কমদামে বিড়ি বিক্রি করছে।

এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে আর প্রকৃত রাজস্ব প্রদানকারী বিড়ি শিল্প মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া সিগারেটে অগ্রিম আয়কর ৩ শতাংশ হলেও বহুজাতিক কোম্পানির ষড়যন্ত্রে বিড়িতে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

বিড়ির উপর থেকে এই বৈষম্যমূলক অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করতে হবে। দেশের প্রাচীন শ্রমঘন বিড়ি শিল্প ও শ্রমিকদের টিকিয়ে রাখার স্বার্থে সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি করতে হবে।

বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক হারিক হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সহসভাপতি লোকমান হাকিম।

বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সহসভাপতি নাজিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল গফুর, কার্যকরী সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

advertisement