advertisement
advertisement
advertisement

সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন
ফল বাতিল চেয়ে মামলা ৪ আসামির বিরুদ্ধে সমন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
১ ডিসেম্বর ২০২২ ১২:০০ এএম | আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০২২ ১১:৪৮ পিএম
advertisement

সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনের পরাজিত আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট খায়রুল কবির রুমেন ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনের ফল বাতিল চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল সুনামগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বিচারক কাকন দে গতকাল বুধবার দুপুরে মামলাটি গ্রহণ করে চার বিবাদীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।

advertisement

মামলা সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনের পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মামলার বাদী অ্যাডভোকেট খায়রুল কবির রুমেন নির্বাচনী গেজেট প্রকাশের এক মাসের মধ্যে গত ২৩ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে এই মামলা দায়ের করেছিলেন। ট্রাইব্যুনাল গতকাল বুধবার চার বিবাদীদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। মামলায় বিবাদী করা হয় চারজনকে। বিবাদীরা হলেন জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, সুনামগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার, জগন্নাথপুর উপজেলা প্রিসাইডিং অফিসার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব।

advertisement 4

মামলায় বাদী উল্লেখ করেছেন, বিগত মেয়াদে মামলার বাদী নুরুল হুদা মুকুট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থাকায় অন্য বিবাদীদের সঙ্গে তার সখ্য ছিল। গেল ১৭ অক্টোবর ভোটের দিন জগন্নাথপুর কেন্দ্রের ব্যালট পেপার অতি গোপনে হেরফের করে মনগড়া মতে আট ভোট বেশি দেখিয়ে নুরুল হুদা মুকুটকে ৬১২ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তাই জগন্নাথপুর ভোট কেন্দ্রের ভোট পুনঃগণনার দাবি করেন বাদী খায়রুল কবির রুমেন। ওই ভোটে পুনঃগণনা হলে তিনিই (রুমেন) বিজয়ী

হবেন বলেও দাবি করেন তিনি।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুটের আইনজীবী অ্যাড. আজাদুল ইসলাম রতন বলেন, ‘বাদী নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেছেন। গতকাল বুধবার আদালতে মামলার গ্রহণযোগ্যতা শুনানি ছিল। শুনানির দিনে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ চারজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। এর আগেও বাদী রিটার্নিং অফিসারের নিকট একই বিষয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন এবং মহামান্য হাইকোর্টের অভিযোগ রিজেক্ট হয়েছে। আশা করি এখানে এই মামলাটি রিজেক্ট হবে। তিনি আরও বললেন, জেলা পরিষদ ভোট হয়েছে ইভিএমএ। ইভিএমএ ভোটগ্রহণের গ্রহণযোগ্যতা পৃথিবীব্যাপী স্বীকৃত।’

সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট বলেন, ‘পরাজিত প্রার্থী আমাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে ও নির্বাচন বানচাল করতে চারবার মামলা দায়ের করেছিলেন এবং সব মামলাই রিজেক্ট হয়েছে। নির্বাচনে হেরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তারা এসব করছে।’

advertisement