advertisement
advertisement
advertisement

পুরান ঢাকার মোড়ে মোড়ে পুলিশ-ছাত্রলীগের অবস্থান

জবি প্রতিনিধি
৯ ডিসেম্বর ২০২২ ১১:০৫ পিএম | আপডেট: ১০ ডিসেম্বর ২০২২ ১২:১২ এএম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ। ছবি: সংগৃহীত
advertisement

বিএনপির শনিবারের সমাবেশকে কেন্দ্র করে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে রাজধানী পুরান ঢাকায়। সদরঘাট, শ্যামবাজার, শাখারীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, রায়সাহেব বাজার, কোতোয়ালী, সূত্রাপুর ও বংশালসহ বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে পুলিশের বাড়তি সতর্কতা ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের মহড়া।

আজ শুক্রবার পুরান ঢাকার বিভিন্ন জায়গা সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ একাধিক মিছিলের মাধ্যমে সরব উপস্থিতি জানান দিচ্ছে। মোড়ে মোড়ে রয়েছে পুলিশের টহল। থেমে থেমে মিছিল করছে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ। এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

advertisement

এ সময় জবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসাইন বলেন, ‘জামায়াত, ছাত্রদলসহ মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং পুরান ঢাকায় কোনো প্রকার অস্থিতিশীল পরিবেশ, সহিংসতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি যাতে করতে না পারে সেজন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। যেকোনো পরিস্থিতি রুখতে আমরা প্রস্তুত।’

advertisement 4

তবে আওয়ামী-ছাত্রলীগের মিছিল ও অবস্থান দেখা মিললেও বিএনপি ও ছাত্রদলের কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি আজ। এদিন পুরান ঢাকার যান চলাচলও ছিল সীমিত।

বিকাল চারটা নাগাদ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং মির্জা আব্বাসকে আদালতে হাজির করলে হঠাৎ উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় সিএমএম কোর্ট চত্বরে। এ সময় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা সংঘবদ্ধভাবে স্লোগান দিতে থাকে। পরবর্তীতে বিএনপের দুই নেতার জামিন নামঞ্জুরকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজিত হয়ে ওঠে কোর্ট এলাকা। পরবর্তীতে মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস এবং তার পরিবার আদালত প্রাঙ্গন ত্যাগ করার সময় কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। পরবর্তীতে তারা আদালত চত্বরে ঢুকতে চাইলেও পুলিশি বাধার মুখে ব্যর্থ হয়।

সার্বিক বিষয়ে লালবাগ জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত বলেন, ‘যেকোনো অরাজকতা প্রতিহত করার জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আদালতে যেনো কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেজন্য আমরা আদালত প্রাঙ্গনে বাড়তি নিরাপত্তার জোরদার করা হয়েছে। আমরা আমাদের তরফ থেকে সর্বোচ্চ সর্তকতা অবলম্বন করেছি।’

advertisement