advertisement
advertisement
advertisement

জটিলতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে

রোজার পণ্য নিয়ে শঙ্কা

২৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১২:০০ এএম
আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ ০৮:৩৭ এএম
advertisement

পবিত্র রমজান মাস আসার আগেই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। আর এই পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার প্রতিবছর নানারকম অঙ্গীকার-প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। কিন্তু বরাবরই দেখা গেছে, কোনো বিশেষ কারণে বাজারের নাটাই থাকে অশুভ চক্রের হাতে। কোনো উপলক্ষ পেলেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়বেÑ এ যেন অলিখিত নিয়ম হয়ে গেছে। করোনার ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই মূল্যস্ফীতির চাপে পড়েছে মানুষ। এরই মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অস্থির করে তুলেছে আন্তর্জাতিক পণ্যবাজার। এ কারণেও ডলার সংকট দেখা দিয়েছে কয়েক মাস হলো। যুদ্ধের বড় প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের বাজারে, যার আঁচ লেগেছে দেশেও। দেশে জ্বালানি তেলের দাম এক ধাক্কায় অনেক বাড়ানো হয়েছে। ফলে নিত্যপণ্যের দামসহ জীবনযাত্রার বিভিন্ন পর্যায়ে মানুষের খরচের চাপ শুধু বাড়ছেই। আসন্ন রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমদানিকারকরা বলছেন, নানা জটিলতার মধ্যেও যেসব এলসির পণ্য বন্দরে আসছে, ডলার সংকটের কারণে তা খালাস করা যাচ্ছে না। ডলারে আমদানি মূল্য পরিশোধ করতে না পারায় নিত্যপণ্য বহনকারী আরও দুটি জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করা যাচ্ছে না। এ দুটি জাহাজে ব্রাজিল থেকে আমদানি করা ৮০ হাজার টন অপরিশোধিত চিনি রয়েছে। ফলে বন্দরে আটকে থাকা জাহাজের সংখ্যা পাঁচটিতে দাঁড়িয়েছে। এসব জাহাজে মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার টন পণ্য রয়েছে। এ কারণে রোজার মাস নিয়ে তৈরি হয়েছে আগাম শঙ্কা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সময়মতো পণ্য খালাস করতে পারলে এবং আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ঘাটতি এলসি ছাড়তে পারলে রমজানে নিত্যপণ্যের কোনো সমস্যা হবে না। তাই আমরা বলব, দ্রুত সময়ের মধ্য সংকট নিরসনের জন্য প্রয়োজনী ব্যবস্থা নিতে হবে। রোজার মাসে যেন কোনো রকমের দুর্ভোগে পড়তে না হয় সারাধণ মানুষকে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ন্যায্যমূল্য ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বিগত দিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামী দিনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। পবিত্র রমজানে মানুষের প্রয়োজনীয় পণ্যের যেন কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সেজন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। সরকার তথা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এ ক্ষেত্রে কঠোর মনোভাব নিয়ে অগ্রসর হতে হবে বাজার মনিটরিং ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে।

advertisement