advertisement
advertisement
advertisement

অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নেতাজি ও বঙ্গবন্ধু: ঢাবি উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ জানুয়ারি ২০২৩ ১১:০৮ পিএম | আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৩ ১১:৫১ পিএম
নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৬তম জন্মবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা
advertisement

দেশপ্রেমের অমলিন চেতনায় নেতাজি ও বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

অখণ্ড ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের পুরোধা নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৬তম জন্মবর্ষ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার ‘দেশপ্রেমের অমলিন চেতনায় নেতাজী ও বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ঢাবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

advertisement

ড. আখতারুজ্জামান বলেন, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে পরাধীন ভারতবর্ষকে মুক্ত করার সংগ্রাম করেছিলেন। আর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের আপামর জনসাধারণকে মুক্তি সংগ্রামের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে পেরেছিলেন।

advertisement 4

উপাচার্য আরও জানান, মহান এই দুই নেতার সংগ্রামের অজানা নানা অধ্যায় তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আলোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের পক্ষে ‘বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ঐতিহ্যিক পরম্পরায় দুই মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীর প্রভাব’ বিষয়ে বক্তব্য দেন নেতাজি বিশেষজ্ঞ ড. জয়ন্ত চৌধুরী।

তিনি বলেন, নেতাজি-নজরুল-রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু অখণ্ড বাঙালির গৌরব। সমকালীন জাতপাতের সংকট দূর করতে হলে এই চিরস্মরণীয় বাঙালিদের আদর্শের যুগপৎ চর্চা অত্যন্ত জরুরি। আর এ ধ নের চর্চার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক পদ্মা নদীতে নির্মিত সেতুর মতোই সুদৃঢ় হবে বলে আমার বিশ্বাস।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক ড. মো. মোফাকখারুল ইকবাল।

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৬তম জন্মবর্ষ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব এবং পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান আহ্বায়কের বক্তব্য দেন পরিষদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. উত্তম কুমার বড়ুয়া। সবশেষে বরেণ্য রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা এবং তার দল সুরের ধারার শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

advertisement